ঢাকা, শুক্রবার, ৮ মাঘ ১৪২৭, ২২ জানুয়ারি ২০২১, ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

জাতীয়

রাত ১২টায় শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনলাইন কুইজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭১৬ ঘণ্টা, নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাত ১২টায় শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনলাইন কুইজ

ঢাকা: সোমবার (৩০ নভেম্বর) দিনগত রাত ১২টা থেকে শুরু হচ্ছে ১শ দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা’। কুইজের প্রতিদিন ১শ জন করে মোট ১০ হাজার বিজয়ীকে এই প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত করা হবে।

আর আগামী ১০ মার্চ প্রতিযোগিতা শেষে ১শ জন বিজয়ীকে ‘গ্র্যান্ড প্রাইজ’ হিসেবে ল্যাপটপ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে।

সোমবার বিকেলে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসেরের সভাপতিত্বে কুইজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে এক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রিয় ডট কমের প্রধান নির্বাহী জাকারিয়া স্বপন।

জাকারিয়া স্বপন জানান, ইতোমধ্যে এই আয়োজনে প্রায় তিন লাখ প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছেন। আশা করা হচ্ছে, মোট ১০ লক্ষাধিক প্রতিযোগী এতে নিবন্ধন করবে। আর এই আয়োজন দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাবে বলেও অনুমান রয়েছে। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে প্রতিদিন দিনগত রাত ১২টায় একটি করে মোট ১শটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে প্রতিযোগীদের।  

বিজয়ীদের পুরস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে স্বপন জানান, এই প্রতিযোগিতার প্রতিদিন সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে থেকে লটারির মাধ্যমে ১শ জন করে বিজয়ী হবেন। এদের মধ্যে প্রথম পাঁচজনকে প্রতিদিন একটি করে স্মার্টফোন দেওয়া হবে দারাজের পক্ষ থেকে। প্রতিদিনের ১শ জন বিজয়ী ১শ গিগাবাইট (জিবি) মোবাইল ডাটা পাবেন। এই ডাটা প্রতি বিজয়ী প্রতিদিন ১ জিবি করে মোট ১শ দিন ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও পুরো প্রতিযোগিতা শেষে সর্বাধিক সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে থেকে লটারির মাধ্যমে ১শ জনকে বাছাই করে প্রত্যেককে একটি করে উন্নত প্রযুক্তির ল্যাপটপ দেওয়া হবে।

মুজিব বর্ষের ওয়েবসাইট (mujib100.gov.bd), প্রিয় ডট কমের ওয়েবসাইট (quiz.priyo.com) এবং প্লে স্টোর থেকে প্রিয় অ্যাপ ডাউনলোড করে এই কুইজ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন ও অংশ নিতে পারবেন প্রতিযোগিরা।

আয়োজন নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, এমন অসাধারণ উদ্যোগের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি মনে করি সব স্তরের শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকেরা এই আয়োজনে অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের ইতিহাস জানার সুবর্ণ সুযোগ থাকছে। এটি ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হতে যাচ্ছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, মনের মধ্যে কষ্ট লাগছিলো যে, মুজিব বর্ষে আমরা এত পরিকল্পনা করলাম কিন্তু করোনার কারণে বাস্তবায়ন হচ্ছিল না। এই আয়োজন দেখে ভালো লাগছে। সাম্প্রতিককালে এমন আয়োজনের গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেছে। কারণ আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আয়োজন করছি কিন্তু যদি নতুন প্রজন্মকে তার আদর্শ, নীতি সম্পর্কে জানাতে না পারি তাহলে তার ব্যর্থতা আমাদের। এই আয়োজন আমাদের সেই ব্যর্থতাকে অনেকাংশে ঘুচিয়ে দেবে।

অন্যদিকে শুধু কুইজে পুরস্কারের জন্য না বরং সত্যিকারের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু এবং দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস, তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী শহীদুল্লাহসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১১ ঘণ্টা, নভেম্বর ৩০, ২০২০
এসএইচএস/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa