ঢাকা, বুধবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২২ মে ২০২৪, ১৩ জিলকদ ১৪৪৫

জাতীয়

জিম্মি নাবিকরা মুক্ত, স্বস্তিতে ইঞ্জিন ক্যাডেট আইয়ুবের পরিবার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২৩০১ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৪, ২০২৪
জিম্মি নাবিকরা মুক্ত, স্বস্তিতে ইঞ্জিন ক্যাডেট আইয়ুবের পরিবার

লক্ষ্মীপুর: সোমালিয়ায় জলদস্যুদের কবলে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর ২৩ জন নাবিক দীর্ঘ ৩১ দিন পর মুক্তি পেয়েছেন। জিম্মি থাকা নাবিকদের একজন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া এলাকার মৃত আজহার মিয়ার ছোট ছেলে আইয়ুব খান।

 

জাহাজের ইঞ্জিন ক্যাডেট হিসেবে প্রায় এক বছর আগে যোগ দেন আইয়ুব। সেখানে ইন্টার্নি করছেন তিনি।

প্রায় দেড় মাস আগে আইয়ুবের বাবা আজহার মিয়া মারা যান। এরপরই আইয়ুব দস্যুদের কবলে পড়েন জিম্মি থাকেন। এতে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় ছিল পরিবারের সদস্যরা। তার চিন্তায় ভেঙে পড়েন আইয়ুবের মা হুমায়ারা বেগম।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে অন্য নাবিকদের সঙ্গে দস্যুদের জিম্মিদশা থেকে সেও মুক্ত হয়েছেন। মুক্তি পেয়েই তার মাকে ফোন করেন আইয়ুব। এতে স্বস্তি ফিরেছে তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে।  

আইয়ুবের মা হুমায়ারা বেগম বলেন, রোরবার ভোর ৬টার দিকে আইয়ুব আমাকে ফোন করেছে। সে জানিয়েছে, তারা দস্যুদের কবল মুক্তি পেয়েছে। এ খবর পেয়ে আমাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। তার মুক্তির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলাম। আল্লাহর দরবারে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। নাবিকদের মুক্ত করার জন্য জাহাজের মালিক পক্ষকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আইয়ুবের বন্ধু ইয়াসিন হোসেন বলেন, আইয়ুব খুব ভালো ছেলে। সে যেন দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসে, সে অপেক্ষায় আছি।

গত ১২ মার্চ কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের দিকে যাওয়ার সময় ভারত মহাসাগরে ওই জলদস‍্যুদের কবলে পড়ে  ‘এমভি আবদুল্লাহ’। ২৩ নাবিকসহ জাহাজটিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় দস্যুরা। এতদিন ধরে মোজাম্বিকের কাছাকাছি জলসীমায় রাখা হয়েছিল জাহাজটি।

বাংলাদেশ সময়: ২৩০১ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৪, ২০২৪
জেএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।