ঢাকা, রবিবার, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯, ০৩ জুলাই ২০২২, ০২ জিলহজ ১৪৪৩

আইন ও আদালত

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৪৩ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০২২
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

পিরোজপুর: যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পিরোজপুরে স্বামী মো. আবুল কালাম হাওলাদারকে (৪৫) ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর জেলা নারী ও শিশু দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন।

একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত কামাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. কালাম হাওলাদার জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ফুলঝুড়ি গ্রামের আ. রশিদ হাওলাদারের ছেলে। আর নিহত মোসাম্মাৎ শাহীনুর বেগম (৩০) তার স্ত্রী। এ ঘটনায় নিহতের মামা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। শাহীনুর দম্পত্তির একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

জানা যায়, মামলা চলাকালীন এজাহারভুক্ত আসামি ও দণ্ডপ্রাপ্তের বাবা আ. রশিদ হাওলাদার মারা যান এবং অন্য ৪ আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা তথ্য প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের মামলা থেকে খালাস দেন। তারা হলেন- মোসা. রহিমন (৪২), মোসা. আমেনা বেগম (৩০), মো. জামাল হাওলাদার (৩৮), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫)। তারা সম্পর্কে দণ্ডপ্রাপ্ত কালামের বাবা, বোন ও ভগ্নিপতি।  

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২২ জুলাই জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ফুলঝুড়ি গ্রামের গৃহবধূ শাহীনুর বেগমকে তার স্বামী দণ্ডপ্রাপ্ত মো. কামাল হাওলাদার ও তার বাবাসহ পরিবারের অন্য ৫ সদস্যের সহায়তায় যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা ও পরে শ্বাসরোধ করে। এ ঘটনায় নিহতের মামা একই গ্রামের মো. ছগির হোসেন বাদী হয়ে ৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল ও বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু বিশেষ অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক খান।

এ বিষয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী আহসানুল কবির বাদল জানান, তারা ন্যায় বিচার পান। ঘটনাটি কোনো হত্যা নয়, এটি ছিল আত্মহত্যা। তাই ন্যায়বিচার পেতে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৩৯ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০২২
এনটি/এনএইচআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa