ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৩ জুন ২০২৪, ০৫ জিলহজ ১৪৪৫

আইন ও আদালত

প্রাথমিকের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মৌখিক পরীক্ষা নিতে বাধা নেই

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪১৩ ঘণ্টা, মে ৩০, ২০২৪
প্রাথমিকের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মৌখিক পরীক্ষা নিতে বাধা নেই

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মৌখিক পরীক্ষা নিতে আর বাধা নেই।

মৌখিক পরীক্ষার ওপর হাইকোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছেন।

একইসঙ্গে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আবেদনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

পরে সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, হাইকোর্ট বিভাগ মৌখিক পরীক্ষার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে তদন্ত করতে বলেছেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা (কর্তৃপক্ষ) আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন।  দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদেশ হয়ে যে, মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে।  কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন আসার আগ পর‌্যন্ত রেজাল্ট দেওয়া যাবে না। এখন তদন্ত রিপোর্ট আসা পর‌্যন্ত ওয়েট করতে হবে। নতুন একটা বিষয়ও এসেছে। তদন্তে সিআইডির একজন সদস্যকে রাখা যাবে।

হাইকোর্টের আদেশের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত হাইকোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আপিল বিভাগ সেটি স্টে অর্ডার ভ্যাকেন্ট করে দিয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে আর বাধা নেই।

গত ২২ এপ্রিল ২১ জেলা- ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, রাজবাড়ী, শরিয়তপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া গৃহীত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

সংশোধিত ফলাফলে পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ওইদিন সকালে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল, তখন উত্তীর্ণের সংখ্যা ছিল ২৯ হাজার ৫৭ জন। পরে মধ্যরাতে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।

এ পরীক্ষায়  প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এনে ১৫ জন পরীক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। ২৮ মে মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

এমআইএইচ/ইএস/জেএইচ 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।