ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৮ মে ২০২৪, ১৯ জিলকদ ১৪৪৫

আন্তর্জাতিক

স্মৃতি জটিলতায় ব্যস্ত সড়কের পাশের বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১১০৯ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৫, ২০১৭
স্মৃতি জটিলতায় ব্যস্ত সড়কের পাশের বাসিন্দারা ছবি প্রতীকী

ঢাকা: কম-বেশি সবারই প্রত্যাশা থাকে সুনসান নিরবতাপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করার। কিন্তু আবাসন সংকট আর অর্থনৈতিক অসঙ্গতির কারণে বেশির ভাগ নগরবাসীর সে প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হয় না।

তাই টিকে থাকার সংগ্রামে দেশে-দেশে নগরীর মানুষকে যত্রতন্ত্রভাবে বসবাস করতে দেখা যায়। যাহোক, আপনি যদি ব্যস্ত সড়কে পাশে বসবাস করেন, তবে আপনার জন্য দুঃসংবাদ আছে।

স্মৃতিভ্রম বা বুদ্ধিবৈকল্য বিষয়ক যুক্তরাজ্যের এক গবেষক দল বলছে, যারা প্রধান ব্যস্ত সড়কের পাশে বসবাস করেন, তাদের স্মৃতিভ্রম বা স্মৃতি লোপ পাওয়ার হার বেশি।

তাদের গবেষণায় বলা হয়, স্মৃতিভ্রম সমস্যা রয়েছে, এমন ১১ শতাংশ মানুষের বসবাস প্রধান সড়ক থেকে ৫০ মিটারের মধ্যে তাদের বসবাস।

বৃহস্পতিবার (০৫ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ওই গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এমন খবর জানায়।

গত ১১ বছর কানাডার ২০ লাখ মানুষকে পর্যবেক্ষণ করে গবেষকরা জানান, বায়ু দূষণ ও শব্দদূষণে স্মৃতিশক্তির অবক্ষয় ঘটাচ্ছে এবং স্মৃতিভ্রম সমস্যা সৃষ্টি করছে। বিশ্বের ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মানুষ স্মৃতিভ্রম সমস্যায় রয়েছে বলে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ব্যস্ত সড়ক, ছবি: সংগৃহীতগবেষণার আওতায়, ২০০১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত কানাডার ওন্টারিয়ো প্রদেশে ২০ লাখ মানুষকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। যেখানে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬১১ জন স্মৃতিভ্রম রোগে আক্রান্ত। যাদের বসবাস ব্যস্ত সড়কের পাশে কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে। ৭ থেকে ১১ শতাংশ স্মৃতিভ্রমের ঘটনা ঘটছে, যারা ব্যস্ত সড়কের ৫০ মিটারের মধ্যে বসবাস করেন।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ রিসার্চের পরিচালক (স্মৃতিভ্রম গবেষণা) প্রফেসর মার্টিন রোসোর বলেন, এর প্রভাবটা সামান্য। কিন্তু উচ্চহারে জনসংখ্যা বাড়ার ফলে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

ওন্টারিয়ো জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি এবং ওই গবেষণা দলের সদস্য ড. হং চেন জানান, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং নগরায়নের ফলে যানজটপূর্ণ সড়কের পাশে জনগণকে বসবাস করতে হচ্ছে। ফলে স্মৃতিভ্রমজনিত সংকট উদ্ভব হয়েছে। যা জনস্থাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৫, ২০১৭
টিআই

 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।