ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ সফর ১৪৪২

স্বাস্থ্য

অক্সফোর্ড-চীনা ভ্যাকসিন পেতে আশাবাদী বাংলাদেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১৭ ঘণ্টা, আগস্ট ৪, ২০২০
অক্সফোর্ড-চীনা ভ্যাকসিন পেতে আশাবাদী বাংলাদেশ

ঢাকা: বিশ্বের ছয়টি কোম্পানি করোনার ভ্যাকসিন ট্রায়ালের তৃতীয় ধাপে রয়েছে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ গ্যাভী ফাউন্ডেশনের ভ্যাকসিন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সভাকক্ষে করোনা ভ্যাকসিন সংক্রান্ত এক সভায় এ তথ্য জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

সভায় জানানো হয়, বর্তমান বিশ্বের ৬টি কোম্পানি ভ্যাকসিন ট্রায়ালের তৃতীয় ধাপে রয়েছে। দেশে সময়মতো ট্রায়াল দেওয়া হলে চীনের সাইনোভ্যাট কোম্পানির ভ্যাকসিন দেশের সাধারণ মানুষের দেহে প্রয়োগ করতে অন্তত ৬ মাসের মতো লাগতে পারে।

সভায় বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা জানান, এ ভ্যাকসিন ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝেই প্রথমে দেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপের পর এ ভ্যাকসিন সবার জন্য উন্মুক্ত করা যেতে পারে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তারা।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান বলেন, চীনের ওই কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য আবেদন করেছে। প্রাথমিকভাবে কোম্পানিটি দেশের কোভিড ডেডিকেটেড সাতটি হাসপাতালের ৪২০০ স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে এ ট্রায়াল সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার চীনের এ ভ্যাকসিনের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য দেশের ভ্যাকসিনের ব্যাপরেও সজাগ রয়েছে।

ভ্যাকসিন পেতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে উল্লেখ করে সচিব বলেন, বিল গেইটসের গ্যাভী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে তালিকাভুক্ত করে রেখেছে। সেপ্টেম্বরে তাদের পরবর্তী বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধির উপস্থিতি চেয়েছে। সুতরাং ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর গ্যাভীর মাধ্যমেও কিছু ভ্যাকসিন দেশে আগে-ভাগেই আসবে।

সভায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনুবিভাগ) কাজী জেবুন্নেছা বেগম, অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) মো. মোস্তফা কামাল, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা, আইসিডিডিআর,বির চার জন সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৪, ২০২০
এমআইএইচ/ওএইচ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa