bangla news

শীতের তীব্রতায় মাগুরায় বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-২২ ৪:১৩:৪৭ পিএম
মাগুরা সদর হাসপাতালে সিট না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: বাংলানিউজ

মাগুরা সদর হাসপাতালে সিট না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: বাংলানিউজ

মাগুরা: মাগুরায় শীতের প্রকোপে ডায়রিয়া ও কলেরাসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। শীতের শুরু থেকে প্রতিদিন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৫০-২০০ শতাধিক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা ১০টি। বেড সংখ্যা কম হওয়ায় কষ্টের মধ্যে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে রোগীদের। এছাড়া শিশু ওয়ার্ডের মেঝেতে রেখে শিশু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মাগুরা শ্রীপুর উপজেলা থেকে চরউদাস গ্রাম থেকে খাদিজা আক্তার  বাংলানিউজকে বলেন, হাসপাতালে জানালার গ্লাস ভাঙা, দরজা-জানালার ছিটকানি না থাকায় অসুস্থ বাচ্চাকে নিয়ে রাত খুব কষ্ট করে পার করতে হচ্ছে। এতে করে শিশু আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এছাড়া হাসপাতালের বাথরুম পরিস্কার না থাকায় খুব কষ্ট করে এখান থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
 
সিনিয়র নার্স মমতা কুন্ডু বাংলানিউজকে বলেন, শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সঙ্গে আত্মীয় স্বজন বেশি থাকায় আমাদের সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা একাধিকবার নিষেধ করলে তা মানছে না। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে পরিবেশ দূষিত করছে। আমরা শিশুদের যথাসম্ভব চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। তবে ঠাণ্ডাজনিত কারণে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তবে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সিট সংখ্যা বাড়ছে না।

মাগুরা সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক জয়ন্ত কুণ্ড বাংলানিউজকে বলেন, মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে ঠাণ্ডাজনিত কারণে শিশু রোগীর চাপ একটু বেশি। আমাদের হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের আসন সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চলছে। তবে একজন ডাক্তার দিয়ে এতো শিশুর সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিশু ওয়ার্ডে দুইজন শিশু ডাক্তার থাকলে রোগীদের সেবা দিতে সহজ হতো।

মাগুরা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্বপ্ন কুন্ড বাংলানিউজকে বলেন, হাসপাতালের শিশু রোগীদের জন্য আসন সংখ্যা ১০টি। এতে শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। অচিরেই আমরা নতুন ভবনে শিশু বিভাগ নিয়ে আসা হবে। তখন আর কোনো সমস্যা হবে না।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   মাগুরা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-22 16:13:47