bangla news

শীতের তীব্রতায় বাড়ছে জ্বর ও ডায়রিয়া

সাভার করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-২২ ৩:৩১:৪৯ পিএম
শীতের তীব্রতায় বাড়ছে জ্বর ও ডায়রিয়া

শীতের তীব্রতায় বাড়ছে জ্বর ও ডায়রিয়া

সাভার (ঢাকা): গত কয়েকদিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার দাপটে সারাদেশে কোথাও সূর্যের আলো পড়েনি। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ঠাণ্ডাজনিত রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে চিকিৎসকরা জানায়, শীতের কারণে সর্দিজ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমা, অ্যালার্জি, চোখ ওঠা, ডায়রিয়া রোগীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চল শিল্প অঞ্চল হওয়ায় এখানে নারী ও শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহে হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে গেছেন নতুন-পুরাতন ২১৩৭ জন শিশু ও বয়ষ্ক রোগী। 

এছাড়া সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েকদিনে প্রায় ১৫৫০ শিশু ও বয়স্করা চিকিৎসা নিয়েছে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে।

এ বিষয়ে আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-পরিচালক হারুনুর রশীদ বাংলানিউজকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় চারজন নারী ও সাতজন শিশু শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত চিকিৎসা নিতে শিশুদের অভিভাবকরা হাসপাতালে ভিড় করছেন। আমরা পর্যাপ্ত চেষ্টা করছি রোগীদের সু-চিকিৎসার দেওয়ার জন্য।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সায়েমমুল হুদা বাংলানিউজকে বলেন, শীত শুরু হওয়ার পর থেকেই শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ অন্যান্য শীতজনিত রোগ বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই আমাদের হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি হচ্ছে। তাই শিশুদের ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক থাকা দরকার। শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য ঘরে-বাইরে উপযুক্ত পরিবেশ রাখতে হবে। বাইরে বের হলে অবশ্যই শরীর, মাথা ও কান ভালোভাবে গরম কাপড়ে আবৃত করে নিতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫০৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
এনটি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-22 15:31:49