bangla news

পরীক্ষা-রোগ নির্ণয়ে আরো আধুনিক হবে এএফআইপি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-১৭ ৬:২৮:১৫ পিএম
একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

ঢাকা: ‘আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি (এএফআইপি) হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষাগার ও রক্ত সঞ্চালন কেন্দ্র। 

চিকিৎসাক্ষেত্রে অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে এ প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বিদেশে বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনেও নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রমে নানা সহায়তা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

সরকার ‘আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজির (এএফআইপি) সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগের সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়বে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অত্যাধুনিক প্যাথলজি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের সর্বস্তরের মানুষ এবং দেশে অবস্থানরত বিদেশের ভিভিআইপি, সেনা/নৌ/বিমান বাহিনীর সদস্যসহ তাদের পরিবারের সদস্যরাও অত্যাধুনিক ও যুগোপযোগী চিকিৎসা সেবা পাবেন। 

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। 

বৈঠকে ওই প্রকল্পসহ মোট নয়টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩ হাজার ২২৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সবগুলো প্রকল্প সরকারি র্অথায়নে বাস্তবায়তি হব।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এএফআইপি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন বিষয়ক প্রকল্পটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষায় আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগের পথ সুগম করবে এএফআইপি। প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষায় এটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও দেশের অন্যান্য নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা এবং রোগ নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে। ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত মূল্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষাসহ অন্যান্য জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হবে। 

‘সরকার ঘোষিত ফোর্সেস গোলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রকল্পটি অবদান রাখবে। ২০১৯ সালের আগস্টে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২২ সালের জুনে বাস্তবায়ন হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪০ কোটি ২৭ লাখ টাকা।’

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ঢাকা সেনানিবাসে ৩৫ বছর আগে স্থাপিত প্যাথলজি প্রতিষ্ঠান এএফআইপিকে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এটি সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেবা গ্রহণের পরিধি বাড়বে। 

প্রকল্প অনুমোদনের সময় একনেক সভায় মেজর জেনারেল ডা. সুসানে গীতি, প্রকল্প পরিচালক ও এএফআইপি-এর ডেপুটি কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফ আহমেদ খানও উপস্থিত ছিলেন

বাংলাদেশ সময়: ১৮২০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯
এমআইএস/এমএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-17 18:28:15