bangla news

কাগজে আছে, কাজে নেই ফরিদপুরের স্বাস্থ্যসেবা!

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১২-০৯-২৩ ১০:৩২:১৪ পিএম

ফরিদপুর জেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, খামখেয়ালিপনা আর সঠিক তথ্য না জানানোর ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফরিদপুর: ফরিদপুর জেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, খামখেয়ালিপনা আর সঠিক তথ্য না জানানোর ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
এর ফলে, ফরিদপুর জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, ওষুধ সব ঠিকঠাক মতো থাকলেও সেবার মান ভালো না হওয়ায় অধিকাংশ রোগী প্রাইভেট হাসাপাতালগুলো থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জনের আওতায় সদরের জেনারেল হাসপাতাল ছাড়াও ৮টি উপজেলাতে ৭টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২০ শয্যা বিশিষ্ট ১টি বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, শয্যাহীন ১টি বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, ১টি বিদ্যালয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ২৮টি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৫১টি ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, ১৭৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে।

জেলা সদরের বাইরে ৮টি উপজেলার মধ্যে ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও বোয়ালমারীতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট, মধুখালী, চরভদ্রাসন, সদরপর ও আলফাডাঙ্গায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্থাপনা নির্মিত হলেও প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ায় ৩১ শয্যা হিসেবে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে সালথা নতুন উপজেলা হওয়ায় এখানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেই।

এদিকে, ফরিদপুর সদরের পৌরসভা এলাকায় প্রাইভেট ক্লিনিক, নার্সিংহোম, হাসপাতাল, প্যাথলজি, ল্যাব, ডেন্টাল ক্লিনিক রয়েছে ৬৩টি। সদরপুর উপজেলায় ৪টি, ভাঙ্গায় ৮টি, মধুখালীতে ৪টি, বোয়ালমারীতে ৮টি, আলফাডাঙ্গায় ৭টি এবং চরভদ্রাসন ও নগরকান্দায় ১টি করে ডায়াগনোস্টিক সেন্টার রয়েছে।

উপজেলার মানুষেরা ছোটখাটো অসুবিধা ছাড়া বেশির ভাগ সময় জেলা সদরের প্রাইভেট অথবা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের তুলনায় গ্রামের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সেবা কেন্দ্রগুলোতে রোগীরা সেবা নিতে আসছেন বেশি। এছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ ও প্রসূতি সেবায় এসব চিকিৎসা কেন্দ্র অনেক ভূমিকা রাখছে।

ফরিদপুরের মানুষসহ আশপাশের কয়েক জেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার অন্যতম নির্ভরতার স্থান ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বর্তমানে নাম পরিবর্তন হয়ে হয়েছে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ।

হাসপাতালটি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও এখানে সারাবছরই প্রায় ৫ শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। সে কারণে এ হাসপাতালের রোগীদের সেবা দিতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হয়।

অন্য হাসপাতালগুলোর তুলনায় এখানকার চিকিৎসা সেবা ভালো হলেও নোংরা পরিবেশ ও দালালদের খপ্পরে পড়ে প্রতিনিয়ত বেকায়দায় পড়ছেন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা।

এদিকে, এ হাসপাতালের সেবিকাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে অসদাচরণের একাধিক অভিযোগ। সরকারি চাকরি হওয়ায় এ ধরণের আচরণ করেন বলেও হাসপাতালে ভর্তি একাধিক রোগী বাংলানিউজকে অভিযোগ করেছেন।

সালথা উপজেলা থেকে পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, হাবিবুর রহমান (৬০) নামে এক বৃদ্ধ। তিনি বাংলানিউজকে জানান, হাসপাতাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ওষুধ পাওয়া যায়নি। এমনকী প্যাথলজির পরীক্ষাগুলোও বাইরের ক্লিনিক থেকে করাতে হয়েছে।

জানা গেছে, হাসপাতালে ওষুধ ও পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

শুধু হাবিবুর রহমানই নন, মাদারীপুর জেলার শিবচর এলাকার এক গৃহবধূ নার্গিস জানান, ৩ দিন আগে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার জমজ সন্তান হয়েছে। স্বামী শাহা শিকদার একজন কৃষক। দিন আনেন, দিন খান। ওষুধ কেনার মতো কোনো টাকা-পয়সা নেই। আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ করে চিকিৎসার ব্যয় চালাতে হচ্ছে। ৩ দিনে প্রায় ২ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়েছে তাকে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ পাওয়া যায়নি।
 
এদিকে, সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতালে এমআর ক্লিনিকের একটি সাইনবোর্ড থাকলেও কক্ষটি তালাবদ্ধ। সিটের অভাবে খোলা বারান্দায় ১ দিনের নবজাতক শিশু নিয়ে রাত কাটাচ্ছেন রোগীরা। ১২ বেডের ধারণ ক্ষমতার স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯১ জন রোগী।

এত কিছুর পরেও শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের সামনে ময়লা আবর্জনার বিশাল স্তুপ গড়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, হাসাপাতালের মধ্যে নোংরা, দূর্গন্ধ, আবর্জনায় একাকার!

তবে এ হাসপাতালে জেলা সদরের বাইরের রোগী বেশি হওয়ায় এ ব্যাপারে কোনো প্রতিকার চেয়েও কাজ হয় না বলে জানা গেছে।

এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বর্জ্য সরানোর ব্যাপারেও কয়েকবার সভায় সিন্ধান্ত নেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে সরকারিভাবে অল্প খরচে প্যাথলজি, আলট্রাসনোগ্রাম, এক্সরে, ইসিজি করার সুযোগ থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতা ও দালালের খপ্পরে পড়ে বাইরের সেন্টারগুলো থেকে এগুলো করানো হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব পরীক্ষার জন্য রোগীর বাহক ও চিকিৎসকদের অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে থাকে ক্লিনিকগুলো।

শুধু জেলার হাসপাতালের চিকিৎসকরাই নয়, রাজধানী থেকে নামকরা হাসপাতালের চিকিৎসকরা এসে এখন জেলা পর্যায়ে মাসে ১ দিন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সপ্তাহে ১ দিন এসে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

এসব চিকিৎসকরা আবার অতিরিক্ত অর্থ আয়ের আশায় কারণে-অকারণে ডায়গনোস্টিক সেন্টারগুলোতে নানা রকমের পরীক্ষা দিচ্ছেন। চিকিৎসার ফি-এর বাইরেও পরীক্ষা করাতে যে টাকা লাগছে, সেখান থেকেও একটি অংশ তারা নিয়ে যাচ্ছেন।  

বক্ষব্যাধি হাসপাতাল:

ফরিদপুরে রয়েছে, ২০ শয্যা বিশিষ্ট বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, যা ফরিদপুরের মানুষ ‘যক্ষ্মা হাসপাতাল’ নামেই চেনেন। যদিও নামে যক্ষ্মা হাসপাতাল, কিন্তু এ হাসপাতালে যক্ষ্মা নির্ণয়ের কোনো ব্যবস্থাই নেই!

শহরতলীর ভাজনডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত এ হাসপাতালের আশেপাশে কোনো ওষুধের দোকান, রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা, খাবার হোটেলের কোনো সুবিধাই নেই।

বিদ্যুতের অভাবে ৩ বছর ধরে বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে আছে অত্যাধুনিক একটি এক্সরে মেশিন। ভাজনডাঙ্গা গ্রামের আশেপাশের রোগীরা ছাড়া এ হাসপাতালে আর কেউ ভর্তি হয় না বলে জানালেন এলাকার মাতবর প্রিন্স বিশ্বাস।  
এদিকে, সরকারি হাসপাতালে সব ধরনের সুবিধা থাকা স্বত্ত্বেও প্রচার-প্রচারণা না থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

দেশের প্রত্যেক জেলায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তর নামে একটি বিভাগ রয়েছে। এ বিভাগের প্রধানের কাছে চিকিৎসার জন্য অস্বচ্ছল রোগীরা আবেদন করে নগদ অর্থ বা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার অধিকার রাখেন। অথচ সরকারের এত ভালো উদ্যোগের কোনো প্রচারণাই নেই ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে।

হতদরিদ্র গ্রামের মানুষ তো দূরের কথা, শহরের লোকেরাই এবিষয়টি জানেননা বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনেরা।

শহরতলীর সাদীপুর গ্রামের ষাটোর্ধ্ব দরিদ্র নারী নিছারুন বেগম উঠানে পড়ে গেলে তার ডান হাত ভেঙে যায়। এজন্য তিনি ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছিলেন চিকিৎসা নিতে। কিন্তু, মাত্র ৫০ টাকার জন্য ওষুধ কিনতে না পেরে মানুষের কাছে হাত পেতেছেন।

তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হাসপাতালে হতদরিদ্র রোগীদের জন্য সমাজসেবা নামে একটি বিভাগ আছে, এটাই তো আমরা জানিই না।”

এদিকে, অভিযোগ পাওয়া গেছে, হাসপাতাল কৃর্তপক্ষের মধ্যে যারা ঘটনাটি জানেন, তারা শুধুমাত্র তাদের পছন্দের রোগীদের এ সেবার কথা জানান এবং তাদের টাকা তুলে নেন।

এছাড়া জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে কমপক্ষে দেড়শ ধরনের অর্থাৎ প্রায় সব রোগের ওষুধ সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে দেওয়া হয় বলে জানালেন ফরিদপুর সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের স্টোর কিপার গিয়াসউদ্দিন।

অথচ বেশির ভাগ রোগীরা বাইরের দোকানগুলো থেকে ওষুধ কিনছেন। অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত ক্যানেলা, টেপ, স্যালাইন, স্যালাইন সেট এসব আবার রোগীদের নামে তুলে বাইরের দোকানগুলোতে চুরি করে বিক্রি করছেন হাসপাতালের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মচারী।

দোকানের ঠিকানা না দেওয়ার শর্তে পলাশ নামে এক ওষুধ বিক্রেতা বাংলানিউজকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, এসব মাল তারা ওষুধ কোম্পানির তুলনায় হাসপাতাল থেকে কম দামে কিনে থাকেন।

জেনারেল হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা এম এ মান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হতদরিদ্র মানুষকে আমরা সহযোগিতা করে থাকি। এ বছর আমরা এক লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি, যা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক।’

গত আগস্ট মাসে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে ২৮ জন রোগীকে ১৫ হাজার ৩শ ৪০ টাকা সহায়তা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা বৃদ্ধির দরকার।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ’আমরা এ বিষয়ে কোনো অনিয়ম করি না।’

এম এ মান্নান জানান, এবছর থেকে প্রত্যেক উপজেলা হাসপাতালগুলোতে সমাজ সেবার এ কার্যক্রম চালু হয়েছে। তাদের বরাদ্দ বছরে ৪০ হাজার টাকা।

ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতাল:

ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতাল রয়েছে। এর নিবন্ধনকৃত রোগীর সংখ্যা এ মাসের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩১ হাজার ১শ ৩৬ জন।

এছাড়া গত এক বছরে ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ডায়বেটিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক শেখ আব্দুস সামাদ।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন সিরাজুল হক তালুকদার বাংলানিউজকে জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহায়তার কথা হাসাপাতালের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জানানো আছে, যেন কোনো হতদরিদ্র রোগী চিকিৎসা নিতে আসলে তাদের এ বিষয়ে ধারণা দিয়ে সাহায্যের ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি জানান, বিগত দিনের তুলনায় ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের রোগীদের সেবার মান অনেক ভালো। এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধপত্র আছে, যা হাসপাতালের রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

তিনি বলেন, ‘এ হাসপাতালের কর্মচারীরা কোনোরকম অনিয়ম করলে, অভিযোগ পাওয়ামাত্র ব্যবস্থা নিতে দেরি হবে না।’

এছাড়া তিনি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবার মান বেড়েছে বলে বাংলানিউজকে জানান।

ফরিদপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবাগত সুপার এ বি এম শামসুল আলম বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমি গত ১৪ আগস্ট সুপারের দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে যতটুক ত্রুটি চোখে পড়েছে, আমি সার্বিকভাবে সেগুলোর ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

হাসপাতাল থেকে ওষুধ না পাওয়ার বিষয়ে বলেন, ‘যে ওষুধ হাসপাতালে সরবরাহ নেই, সেগুলো ছাড়া প্রায় সব ওষুধই রোগীদের দেওয়া হয়।’
 
হাসপাতালের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে কয়েকদিন আগে একটি সভা হয়েছে। শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া  হবে।’

এতকিছুর পরেও সংবাদমাধ্যমে ফরিদপুর জেলার স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেবার মান ভালো হবে বলে আশা করছেন, এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার পড়ুন উপজেলাগুলোর স্বাস্থ্যসেবার হাল

বাংলাদেশ সময়: ০৮০০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১২
সম্পাদনা: শাফিক নেওয়াজ সোহান, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2012-09-23 22:32:14