ঢাকা, শনিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৩ আগস্ট ২০২২, ১৪ মহররম ১৪৪৪

ফুটবল

মুক্তিযোদ্ধার জালে রহমত গঞ্জের গোল উৎসব

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, স্পোর্টস | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৩৪ ঘণ্টা, জুলাই ৪, ২০২২
মুক্তিযোদ্ধার জালে রহমত গঞ্জের গোল উৎসব

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অবনমন অঞ্চলে রয়েছে দুই দল। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বিপক্ষে এবারের আসরের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জয়টি তুলে নিয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস এন্ড সোসাইটি।

মুন্সিগঞ্জের শহীদ লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ৭-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে রহমতগঞ্জ।

এমন বড়  হারে চ্যাম্পিয়নশিপে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা। ১৮ ম্যাচ শেষে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে নবম অবস্থানে উঠে এসেছে রহমতগঞ্জ। সমান ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে এগারতম স্থানে মুক্তিযোদ্ধা। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে উত্তর বারিধারা। দিনের আরেক ম্যাচে পুলিশের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ায় তলানিতেই আছে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ। লিগের শেষ চার ম্যাচের ফলের উপর নির্ভর করছে কোন দুটি দল প্রিমিয়ার লিগ থেকে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে নেমে যাচ্ছে।

ম্যাচের শুরুতে আক্রমনাত্মক ফুটবল খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধার কমে আসে মুক্তিযোদ্ধার। প্রথমার্ধে ২-১ ব্যাবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতীতে যায় মুক্তিযোদ্ধা। দ্বিতীয়ার্ধে হজম করে আরও পাঁচ গোল।

২৬ মিনিটে প্রথম গোল করে রহমতগঞ্জ। কিরণের ফ্রিকিক থেকে হেডে জাল খুঁজে নেন ফিলিপ আদজাহ। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করে রহমতগঞ্জ। বদলি নামা সাহেদের ক্রস মুক্তিযোদ্ধার মেহেদি হাসান ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে না পারায় বল গিয়ে লাগে সাইড বারে, ফিরতি বলে পায়ের টোকায় জালে জড়ান সানডে চিজোবা। বিরতিতে যাওয়ার আগেই ওবায়দূর রহমান নবাবের দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান কমায় মুক্তিযোদ্ধা। সুদি আব্দুল্লাহর বাড়ানো পাসে বক্সের ডান দিকে দেখে শুনে রহমতগঞ্জের দুই-তিন জন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে খানিকটা ভেতরে ঢুকে বাম পায়ের প্লেসিং শটে দুরের পোস্টে লক্ষ্যভেদ করেন নবাব। লিগে এটি তার দ্বিতীয় গোল।

৬৮ মিনিটে আলামিনের গোলে ব্যবধান ৩-১ করে ফেলে রহমতগঞ্জ। প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে ক্রস নিয়েছিলেন আলামিন কিন্তু হাওয়ায় ভেসে ভেসে তা দূরের পোস্টে জাল খুঁজে নেয়। চেষ্টা করেও বল আটকাতে পারেননি গোলকিপার রাজীব। এরপরেই রাজীবকে তুলে গোলকিপার লিমনকে মাঠে নামান কোচ রাজা ঈশা।

গোলকিপার পরিবর্তন করেও ভাগ্য বদলায়নি মুক্তিযোদ্ধার। উলটো ৮০ থেকে ৯০ মিনিটের মধ্যে আরও তিন গোল করে রহমতগঞ্জ। ৮০ মিনিটে ল্যান্সিন তোরের গোলে ব্যবধান ৪-১ করে ফেলে রহমতগঞ্জ। মামুনুল ইসলামের ফ্রিকিকে লাফিয়ে হেডে গোল করেন তোরে। ৮৬ মিনিটে খন্দকার আশরাফুলের গোলে ব্যবধান আরও বাড়ায় রহমতগঞ্জ। ৮৯ মিনিটে স্পট কিক থেকে ব্যবধান ৬-১ করেন সানডে চিজোবা। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা তৃতীয় মিনিটে রহমতগঞ্জের হয়ে সপ্তম গোল করেন ফিলিপ আদজাহ।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৩৪ ঘণ্টা, জুন ০৪, ২০২২
এআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa