ঢাকা, বুধবার, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২

অর্থনীতি-ব্যবসা

রমজানের আগে দাম বাড়ানো ব্যবসায়িক কৌশল

করিমুল বাশার, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১২ ঘণ্টা, জুন ৩০, ২০১১
রমজানের আগে দাম বাড়ানো ব্যবসায়িক কৌশল

ঢাকা: গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে বাজারে চাল, ডালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও আর একদফায় বেড়েছে চিনি ও পেঁয়াজের দাম। রমজানের আগে এভাবে দাম বাড়ানোকে ব্যবসায়ীদের একটি কৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।



চলতি সপ্তাহে নগরীর কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর বাজার ও হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মিনিকেট (রশিদ) বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা ও শাহসুপার চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকায়, গত সপ্তাহে ও এই দাম ছিল।

তবে পাইকারী বাজারে চিনির দাম আরেক দফা বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা। আর খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকায়।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় খোলা তেলের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে বোতলজাত তেল।
৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল (রুপচাঁদা) খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬০৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৯৫ টাকা। তবে কমেছে খোলা তেলের দাম। পাম্প তেল বিক্রি হচ্ছে ১০২ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ১০৪ টাকা।

এছাড়া পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ২-৪ টাকা। বাজারে এখন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৮-৩৪ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ২৬-৩০ টাকা। বেড়েছে ছোলার দাম। প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫ টাকা। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় সন্তোষজনক হারে কমেছে রসুনের দাম। বাজারে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ১২৫-১৩০ টাকা।

বৃষ্টির কারণে সবজির দাম এ সপ্তাহেও বেড়েছে প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকা, করলা ৩২ টাকা, ঢেঁড়শ ২৬-২৮ টাকা, পটল ২৮ টাকা, বরবটি ৩২-৩৫ টাকা, টমেটো ৭০-৭৫ টাকা ও বেগুন ৩০-৩২ টাকায়।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি কাজী ফারুক বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা সরকারকে কথা দিয়েছে, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াবে না। তাই তারা এখন থেকেই দফায় দফায় পেঁয়াজ, ছোলাসহ বিভিন্ন দ্রব্যের দাম বাড়াচ্ছে। এটিকে তিনি ব্যবসায়ীদের একটি কৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ’

চিনির দাম প্রসঙ্গে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের চিনির আড়তদার মুক্তার ট্রেডার্সের মালিক সর্পরাজ (৪৮) বলেন, ‘এভাবে চিনির দাম বাড়ছে। কিন্তু সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই। ’

এখনই সরকারের পদক্ষেপ গ্রহন জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কারওয়ান বাজারের তেল ব্যবসায়ী বেঙ্গল স্টোরের মালিক মহিউদ্দিন (৩২) বলেন, ‘দুই সপ্তাহ ধরে খোলা তেলের দাম কমছে। কিন্তু বাড়ছে বোতলজাত তেলের দাম। এর কারণ কি তা নির্ণয় করে সরকারই এর ব্যবস্থা নিতে পারে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৮ ঘণ্টা, জুন ৩০, ২০১১

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa