ঢাকা, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪২৯, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মেরিটাইম এরিয়ায় গুরুত্ব দিয়েছিলেন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯৫৪ ঘণ্টা, আগস্ট ১৫, ২০২২
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মেরিটাইম এরিয়ায় গুরুত্ব দিয়েছিলেন ...

চট্টগ্রাম: বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের মেরিটাইম এরিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই তিনি স্বাধীনতার পরপরই মেরিটাইম জোন অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাক্ট প্রণয়ন করেছিলেনে, যা দিয়ে আমরা ২০০ নটিক্যাল মাইল এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোন পেয়েছিলাম।

যে আইন জাতিসংঘ আরো অনেক সময় পর ১৯৮২ সালে প্রণয়ন করতে পেরেছিল। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি তাঁর প্রজ্ঞা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা দিয়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিশ্বের অনেক দেশ আজ ঈর্ষান্বিত, পাকিস্তানিদের কাছেও বাংলাদেশের উন্নয়ন ঈর্ষার বিষয়।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বেলা পৌনে ১২টায় বন্দর কর্মচারী পরিষদ আয়োজিত শোকসভা, খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান এসব কথা বলেন।  

এর আগে সকাল ৯টায় বন্দর ভবনসহ বন্দরের সব দফতর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জলযানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন করা হয়। সকাল সোয়া ১০টায় বন্দর চেয়ারম্যান ও সদস্যরা বন্দর ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সকাল পৌনে ১১টায় বন্দর ভবন চত্বরে বৃক্ষরোপণ করা হয়।  

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমরা দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলাম কীভাবে নেতৃত্ব চলবে, কীভাবে দেশ চলবে। চক্রান্তকারীরা বঙ্গবন্ধুর পর জাতীয় নেতাদের হত্যা করে দেশের ক্ষমতা দখল করেছিল। দীর্ঘ একুশ বছর পর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে এসেছিলেন।  

তিনি বলেন, আমরা বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে অনুপ্রাণিত ও ঐক্যবদ্ধ। চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী আজকে উপস্থিত হয়ে প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।  

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে চট্টগ্রাম বন্দরের সব কর্মকর্তা কর্মচারীকে নিরলসভাবে ও একাগ্রচিত্তে কাজ করার আহ্বান জানান।

দুপুর ১২টায় তিনি চট্টগ্রাম বন্দর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বলেন, শোককে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।  

তিনি বলেন, পরাধীনতার গ্লানি থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্তি দিয়ে আলোর দিশা দেখিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় চবক চেয়ারম্যান ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী সবার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করেন। পরে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন ও অবদান’ শীর্ষক বিষয়ের প্রতিযোগিতার পুরস্কার তুলে দেন।  

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৪ ঘণ্টা, আগস্ট ১৫, ২০২২
এআর/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa