ঢাকা, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

কবিতা

‘আর্থ ইল. স্টপ লিভিং সুন.’ | আব্দুল্লাহ আল মুক্তাদির 

‘আর্থ ইল. স্টপ লিভিং সুন.’ পৃথিবীর সমান বয়েসি এক অজর বর্ষা টেলিগ্রাফের অফুরান তারে ভর করে আবার ফিরে এল। 'স্কাই ডায়িং. স্টপ

মিঞা কি মল্হার | শ্রীদর্শিনী চক্রবর্তী

মিঞা কি মল্হার ধারাবর্ষণে হৃদয়ের পথঘাট ধেবড়ে যাচ্ছে। ছাইয়ে আর নীলে মাখামাখি হয়ে ঢুকে পড়ছে ভিতর অঞ্চলে- আতা গাছে তোতা পাখির দিন

স্মৃতির বারিশ | অনিতা দাস ট্যান্ডন

স্মৃতির বারিশ বৃষ্টি নয় স্মৃতি ঝরছে অঝোরে... প্রতিবার বৃষ্টি নিয়ে আসে তার কোলে করে, আমার হারানো দিনগুলো...   সকালের বৃষ্টি-স্কুলে

স্তব্ধতার গান । নওশাদ জামিল

স্তব্ধতার গান অপরূপ ঘোর নেমে এল দুজনের মাঝখানে-ভাবি স্তব্ধতার কাছে ঋণী খুব এই যে নিমগ্ন তানপুরা বৃষ্টিশেষে ভেজা পথ ধরে কিছুক্ষণ

ব্যান্ডদল | অরবিন্দ চক্রবর্তী

ব্যান্ডদল গ্রামের কৈ রেওয়াজ করে আকাশ পড়ে। সীতানাথ বসাক বুকে নিয়ে কাটাকুটি খেলে দুপুরের মেঘ। জগতের ছেলেরা লিরিকাল খুলেছে। ভরসা

নস্টালজিয়া | রাসেল রায়হান

নস্টালজিয়া কোনো এক সূর্যাস্তকালীন অনিয়ন্ত্রিত বৃষ্টিতে হেঁটে যাওয়ার সময় বিজলির চমক দেখে এই সিদ্ধান্তে আসি যে, আকাশও ধাতব। সম্ভবত

তুমি | রিমঝিম আহমেদ 

তুমি সবার মতো আমিও বুকের ভেতর 'তুমি' পুষি। বিকেল হলে 'তুমি' নেমে আসে  আমার সিঙ্গেল খাটে, তখন শাদা দালানঘর একমনে ভিজতে থাকে।

শস্তা বৃষ্টির কবিতা | শিমুল সালাহ্উদ্দিন

শস্তা বৃষ্টির কবিতা আচ্ছা ধরো তোমার নাম বৃষ্টি হতো যদি ঝড়ো হাওয়ায় মাতাল হয়ে ঝরতে তুমি! নাকি ঝড়তে               ঢিমেতেতালে 

আরোগ্যনি‌কেতন | আলতাফ শাহনেওয়াজ

আরোগ্যনি‌কেতন লাঠি ঠক ঠক, রাত নামলো ঘরে জানালা হাওয়ায় দুলছে বিষম বৃষ্টি, ছাট এল কি! কেউ এসে কি শ্রাবণে ভাসলো? ভেতরে আম্মা

বৃষ্টিবিহীন | উজান

বৃষ্টিবিহীন নিঃশব্দের উপর নিঃশব্দ জমতে জমতে একটা মেঘলা দিন ফুটে ওঠে - এইসব দিনে সোঁদলা বাতাস মাথায় করে আমি তোমার প্রেমিককে হেঁটে

কেনাবেচা | পিয়াস মজিদ

কেনাবেচা নর্তকী মরে গেলে জন্ম নেয় নাচের মুকুর। আর কেউ যাবতীয় শোকের মুদ্রা পুঁতে দেয় পূর্ণিমায়। মালা বাঁধে অন্ধকার। এত এত রাত্রির

বৃষ্টির শব্দ | মুক্তি মণ্ডল

বৃষ্টির শব্দ পুরনোকালের বৃষ্টির শব্দে  এখনো যাঁরা গভীর রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকে  মমিদের হাস্যধ্বনি;  তাঁদের বুক পকেটের

মরিয়ম প্রসঙ্গে অসময়ে কৃষি | মেসবা আলম অর্ঘ্য

মরিয়ম প্রসঙ্গে অসময়ে কৃষি টেবিলে আলো        জ্বলে নিভে গেল মেঘের বিকেল,        মদের বোতল বুকে চেপে বৃষ্টি নেমেছে রাস্তায়  

বরষার কবিতা | যশোধরা রায়চৌধুরী

বরষার কবিতা ভিজে ভিজে ভিজে আকুল সন্ধেগুলিকে  আমি ডেকে বলি একাকী আমাকে তুলে নাও জলকণাদের সঙ্গে, এবং নিয়ে যাও  খরার দেশে, সে খরায়

আমাদের উচ্চতা | তাজরিয়ান পলি

আমাদের উচ্চতা অর্জুন তলায় যেতে যেতে বিবমিষা কেটে যায়- তাম্রফলকে আটকে রয় ভাবনার মাচা। স্বর্গের উরুসন্ধি ডিঙিয়ে যেদিন আমি

চাবুক ভাঙা নদী | রাত উল আহমেদ

চাবুক ভাঙা নদী হরেকমালের ভিড়ে স্মৃতির স্বপ্নপসার, স্বপ্নের ভেতর বসতবাড়ি। বাড়ি পাশের নতুন চারা বড় হয়ে হয় বৃক্ষ। সাতরঙ পাখি ঘিরে

নদ | তানি হক

নদ আন্ধার নদের পানি অবশেষে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে চুপিসারে, লুটিয়ে পড়লে এই আত্ম ইন্দ্রিয়ের সীমানায়  বলে রাখি এ যুগ সোনালী-কারুকার্য

দু’টি কবিতা | আবু মকসুদ

পাশের দেশে ভ্রমণ  অনির্ধারিত এক কবরের পাশে হেঁটে যেতে যেতে হটাতই মনে হলো এবেলা যদি ডাক আসে দয়াপরবশ কেউ কি সঙ্গী হবে আবার ভাবি দয়া

বড় সাধ হয় | মুহম্মদ মুহসিন

তাহাকেই ফিরে পেতে বড় সাধ হয় সাধ হয় ফিরে যাই অমাবশ্যার ঘোর রাতে জোনাকির পথ ধরে ফিরে যাই ভেজা ভাদরের ডুবুডুবু পথে বলি গিয়ে চল তবে বলি

জঙলি পরির অরণ্য দখল | মিজানুর রহমান বেলাল

জঙলি পরির অরণ্য দখল পৌরসভার পাড় দিয়ে যে পথ চলে গেছে অরণ্যে সে পথেই কুঠুরি বাড়ি পাশ দিয়ে সবুজের চাদর জড়ানো নদী ঢেউয়ের পিয়ানোর সুরে

এই বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয়

Alexa