bangla news

ঢামেকে ‘কমেছে’ নতুন রোগীর সংখ্যা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৩-২৭ ৭:১১:৪৩ পিএম
ঢামেক হাসপাতাল। ছবি: বাংলানিউজ

ঢামেক হাসপাতাল। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে রাজধানীর মানুষ কার্যত গৃহবন্দি। এর প্রভাব পড়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আগে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যেখানে ১২ ঘণ্টায় ৭ থেকে সাড়ে ৭শ মানুষ চিকিৎসার জন্য টিকিট কাটতেন এখন তা নেমে এসেছে ১৮৫-তে। আর আউটডোরে চিকিৎসা পেতেন ৩ হাজার রোগী। কিন্তু বুধবার (২৫ মার্চ) ৬ ঘণ্টায় আউটডোরে চিকিৎসার জন্য টিকিট নিয়েছেন এক থেকে দেড়শ জন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টারের ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, ঢামেক হাসপাতালে রোগীর উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সাধারণ সময় ১২ ঘণ্টায় শুধু জরুরি বিভাগে টিকিট নিয়ে চিকিৎসাসেবা পেত আনুমানিক ৭ থেকে সাড়ে ৭শ জন। এছাড়া এই ১২ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ৫৮ জন। সাধারণ দিনে হলে ভর্তি হতো আনুমানিক একশ থেকে থেকে দেড়শো জন। আর আউটডোরে চিকিৎসা সেবা পেত ৩ হাজার রোগী। জরুরি বিভাগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিনগত রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুর ১২টা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য টিকিট নিয়েছে ১৮৫ জন। আউটডোরে বুধবার (২৫ মার্চ) ৬ ঘণ্টায় টিকিট নিয়েছে এক থেকে দেড়শ জন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের পিপিই না দিলেও অস্ত্রোপচার কক্ষে যে ড্রেসগুলো ব্যবহার হয় নীল রঙের, সেগুলো দিয়েছে। এছাড়া হাতের গ্লাভস দিয়েছে। আমাদের এখানে হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। আমরা টিকিট কাউন্টারে ডিউটি করি। প্রতিদিন শতশত টিকিট বিক্রি করি। অথচ আমাদের কোনো হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই। কর্তৃপক্ষ হেক্সিসল দিয়েছে তা দিয়ে হাত পরিষ্কার করছি।

এদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল বাশার বাংলানিউজকে জানান, আউটডোর খোলা থাকে সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। সাধারণ দিনে প্রায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টিকিট বিক্রি হয়ে থাকে। গত বুধবার (২৫ মার্চ) আমাদের এখানে টিকিট বিক্রি হয়েছে এক থেকে দেড়শর মতো। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ও শুক্রবার (২৭ মার্চ) আউটডোর বন্ধ ছিল। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ আমাদের পিপিই দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯১১ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০২০
এজেডএস/এইচএডি/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   করোনা ভাইরাস
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-03-27 19:11:43