ঢাকা, শনিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯
bangla news

গরমের সঙ্গে মাগুরা হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৪-২২ ৯:৪১:০১ পিএম
মেঝেতে রেখে চলছে শিশু রোগীদের চিকিৎসা সেবা। ছবি: বাংলানিউজ

মেঝেতে রেখে চলছে শিশু রোগীদের চিকিৎসা সেবা। ছবি: বাংলানিউজ

মাগুরা: গরমের প্রকোপে দেশে ডায়রিয়া ও কলেরাসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। এর ধারবাহিকতায় এবার গরমের শুরুতে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে বেড়েই চলেছে শিশু রোগীর সংখ্যা।  

সোমবার (২২ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখে যায়, হাসপাতালটির শিশু বিভাগের আসন সংখ্যা মাত্র ১০টি। গরমের শুরু থেকে প্রতিদিন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দুই/তিন শতাধিক শিশু হাসাপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে। কিন্তু বেডের সংখ্য কম হওয়ায় প্রতি বেডে দুইটি করে শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অন্য ওয়ার্ড ও মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে শিশুদের। 

পারনান্দুয়ালী থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী আকলিমা খাতুন (৩৫) বাংলানিউজকে বলেন, হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কম থাকায় শিশুদের চিকিৎসা করাতে সমস্যা হচ্ছে। 

মাগুরা আবালপুর এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা স্কুল শিক্ষিকা রুবায়া খাতুন বলেন, শিশু ওয়ার্ডে আসন সংখ্যা ১০টি। সেখানে ভতি আছে ২শ’ থেকে ৩শ’ রোগী। আসন সংখ্যা কম থাকায় রোগীদের মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। 

মাগুরা সদর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স কামনা বিশ্বাস বাংলানিউজকে বলেন, একজন রোগীর সঙ্গে স্বজন আসেন তিন থেকে চারজন। এতে চিকিৎসা সেবা দিতে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে আমাদের। 

হাসপাতালটির শিশু বিভাগের চিকিৎসক জয়ন্ত কুণ্ড বাংলানিউজকে বলেন, এখানে চিকিৎসা খুবই ভালো। তবে শিশু বিভাগে আসন সংখ্যা কম হওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।

হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক স্বপন কুমার কুণ্ডু বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের হাসপাতালের শিশু রোগীদের জন্য আসন সংখ্যা ১০টি। এর ফলে শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। তবে অচিরেই শিশুদের জন্য নতুন আরও বেড বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২১২৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ২২, ২০১৯
এসআরএস

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   মাগুরা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-04-22 21:41:01