ঢাকা, সোমবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৭ মে ২০২৪, ১৮ জিলকদ ১৪৪৫

স্বাস্থ্য

প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিবারণে প্রকল্প চালু

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩৫২ ঘণ্টা, আগস্ট ৫, ২০১৮
প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিবারণে প্রকল্প চালু প্রকল্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা।

ঢাকা: মানুষের দোরগড়ায় চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিবারণে একটি প্রকল্প চালু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা সাইটসেভার্স রোববার (৫ আগস্ট) রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে ‘স্বাস্থ্য অধিকার, দক্ষিণ এশিয়ায় চক্ষুসেবার প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ’ শীর্ষক এ প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রতিবন্ধিতা আজ আর উন্নয়নের কোনোও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

 

তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সারাদেশে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের চক্ষু সেবাদানের জন্য সাইটসেভার্সের প্রশংসা করেন।  

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাইটসেভার্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর খন্দকার আরিফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু মোহাম্মদ ইউসুফ, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক ড. মো. হেলাল উদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. এএইচএম এনায়েত হোসেন, ডিএফআইডি উপদেষ্টা সেলিমা আহমেদ, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ এবং সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট নির্বাহী পরিচালক এএইচএম নোমান খান।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে ত্রিশোর্ধ জনসংখ্যার মধ্যে আনুমানিক ৮ লাখ ৪৮ হাজারই অন্ধ যাদের বেশিরভাগের (৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ) অন্ধত্বের কারণ ছানি। দেশে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের দৃষ্টিত্রুটি দূর করা এবং প্রায় দেড় লাখ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের পুনর্বাসন দরকার। তিনবছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় ৪৩ হাজার ১৩৬ জনের চোখের ছানি অপারেশন করা হবে। ৩ লাখ ১৪ হাজার ৫১০ জনের দৃষ্টিত্রুটি পরীক্ষা করা হবে। ৭ লাখ ৫ হাজার ৩৫০জনকে নন-সার্জিক্যাল চক্ষুচিকিৎসা দেওয়া হবে। ১ হাজার ৮শ সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীকে চক্ষুরোগ শনাক্তকরণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং চক্ষুরোগের চিকিৎসা বিষয়ক ১ হাজার ৬২১টি আউটরিচ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।  

যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি) সহায়তাপুষ্ট এ প্রকল্প প্রাথমিকভাবে কুড়িগ্রাম, নরসিংদি, রংপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় পরিচালিত হবে ও চলবে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫১ ঘণ্টা, আগস্ট ৫, ২০১৮
পিআর/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।