ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ বৈশাখ ১৪৩১, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৫

স্বাস্থ্য

জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৪৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ঢাকা: ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে তৎক্ষণাৎ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেক আপ সেন্টারটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খতনা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আহনাফ তাহমিন আয়মান নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খবর পেয়েই স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মঈনুল আহসানকে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পাঠান এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। পরিচালক (হাসপাতাল) দ্রুততম সময়ে মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে উপস্থিত হয়ে হাসপাতালটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক বিশেষ বিবৃতিতে জানান, এ ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। কিছুদিন আগেও এমন একটি ঘটনা আমরা লক্ষ্য করেছি। সে ঘটনায় আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিয়েছি। তবে সেই ঘটনার পরও যারা সতর্ক হতে পারেনি, এরকম দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দোষী প্রমাণিত হলে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিরুদ্ধে শুধু কঠোর ব্যবস্থা নেওয়াই হবে না, এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলাকারী দোষীদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে পরবর্তিতে আর কোনো প্রতিষ্ঠান এরকম গুরু দায়িত্বে অবহেলা করতে সাহস না পায়। চিকিৎসায় অবহেলা পাওয়া গেলে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে ঘটে যাওয়া অন্য আরেকটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেও একটি বিবৃতি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে এনডস্কপি করাতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরিদর্শন করা হয়েছে।

এ প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হাতে আসবে। রিপোর্ট দেখে সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আহনাফের বাবার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সেখান থেকে একজন পরিচালক ও একজন এনেস্থেসিওলজিস্টকে পুলিশ ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটিনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
আরকেআর/আরআইএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।