[x]
[x]
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ১৫ নভেম্বর ২০১৮
bangla news

বাড়ি ফিরছেন ১২৫ বাংলাদেশি

217 |
আপডেট: ২০১৫-০৮-২৭ ৭:৪৮:০০ এএম
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মায়ানমার থেকে ফেরত আসা ১২৫ বাংলাদেশি বাড়ি ফিরছেন। এছাড়া তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচারে জড়িত ১৪ জেলার ৬০ দালালকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার( ২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে তাদের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

কক্সাবাজার: মায়ানমার থেকে ফেরত আসা ১২৫ বাংলাদেশি বাড়ি ফিরছেন। এছাড়া তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচারে জড়িত ১৪ জেলার ৬০ দালালকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার( ২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে তাদের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এর মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ২৫ জনকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং বাকিদের আইওএম’র সহায়তায় বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদ বাংলানিউজকে জানান, মঙ্গলবার ১২৫ জনকে ফেরত আনার পর রাতে ইমিগ্রেশনে সংশিষ্ট কাজ শেষ করা হয়। এরপর পুলিশ সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তথ্য সংগ্রহের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

ফেরত আনাদের মধ্যে ২৫ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু-কিশোর থাকায় তাদের ব্যাপারে নির্দেশনা জানতে বুধবার দুপুরে আদালতে হাজির করানো হয়। আদালত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজার ইউনিটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। এছাড়া অপর ১০০ জনকে আইওএম’র সহায়তায় বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ফেরত আনাদের পাচারের সঙ্গে জড়িত ৬০ জন পাচারকারী শনাক্ত হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে ১৪টি জেলায় ফেরত যাওয়া লোকজনের স্ব-স্ব উপজেলায় মামলা দায়ের করা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, বাড়ির পথে রওনা হওয়া এসব লোকজনকে নিয়ে আইওএম এবং রেড ক্রিসেন্টের প্রতিনিধিরা প্রথমে স্ব-স্ব থানায় যাবেন। এরপর মামলা দায়ের শেষে তারা বাড়ি ফিরবেন।

আইওএম মুখপাত্র আসিফ মুনীর বাংলানিউজকে জানান, ফেরত আনা ১২৫ জন ১৪টি জেলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে কক্সবাজারে ৮৫ জন, বান্দরবানের ৫ জন, ফেনীর ৩ জন, ভোলার ২ জন, চাঁদপুরের ১ জন, মাদারীপুরের ৭ জন, গোপালগঞ্জের ১ জন, রাজবাড়ীর ২ জন, ব্রাম্মণবাড়ীয়ার ৫ জন, গাজীপুরের ১ জন, টাঙ্গাইলের ৪ জন, ঢাকার ২ জন, কিশোরগঞ্জের ৩ জন ও মেহেরপুরের ৪জন।

আসিফ জানান, ফেরত আনাদের মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক রয়েছে ২৫ জন। এরমধ্যে কক্সবাজারের ২২ জন, বান্দরবানের ২ জন, ঢাকার যাত্রবাড়ী এলাকার ১ জন কিশোর রয়েছে।

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজার ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জয়নুল আবেদীন বাংলানিউজকে জানান, রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা বৃহস্পতিবার সকালেই ২৫ জন কিশোরকে নিয়ে বাড়ি পৌঁছানোর উদ্দ্যেশে রওনা হয়েছেন। এদেরকে স্ব-স্ব থানায় নিয়ে গিয়ে মামলা দায়ের শেষে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 

গত ২১ মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ২০৮ জন এবং ২৯ মে আরও ৭২৭ জন অভিবাসী প্রত্যাশীদের উদ্ধার করে দেশটির নৌ-বাহিনী। উদ্ধার হওয়া এসব অভিবাসন প্রত্যাশীদের মিয়ানমার প্রথম থেকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি জানিয়ে আসছিল।

এদের মধ্যে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্তদের ৮ জুন, ১৯ জুন, ২২ জুলাই ও ১০ আগস্ট চার দফায় দেশে ফেরত আনা হয় ৫০১ জনকে। পঞ্চম দফায় আনা ১২৫ জন সহ এ পর্যন্ত দেশে ফেরত আনা হয়েছে ৬২৬ জনকে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৮ ঘণ্টা, আগস্ট ২৭, ২০১৫
পিসি/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db