[x]
[x]
ঢাকা, বুধবার, ৬ চৈত্র ১৪২৫, ২০ মার্চ ২০১৯
bangla news

তুরস্কে বাংলাদেশির হাতে বাংলাদেশি খুন

763 |
আপডেট: ২০১৫-০৭-২৯ ২:৪৯:০০ পিএম
মো. ফরিদ

মো. ফরিদ

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে কর্মরত এক বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন অপর এক বাংলাদেশি। খুন হওয়া মো. ফরিদ নামে ওই শ্রমিকের সঙ্গে গত শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রুমমেট মুসার কথাকাটাটি হয়।

ঢাকা: তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে কর্মরত এক বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন অপর এক বাংলাদেশি।

খুন হওয়া মো. ফরিদ নামে ওই শ্রমিকের সঙ্গে গত শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রুমমেট মুসার কথাকাটাটি হয়।

এরপর ফরিদ ঘুমিয়ে পড়লে রাত ২টার দিকে তার পেটে ছুরি মেরে পালিয়ে যায় মুসা। ফরিদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, তুরস্ক পুলিশ অভিযুক্ত মুসাকে আটক করেছে। এছাড়া তাদের আরো দুজন রুমমেটকেও আটক করা হয়েছে বলে ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট এবং স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন। অভিযুক্ত মুসার বাড়ি নরসিংদী জেলায় বলে জানা গেছে।

murderমৃত শ্রমিক ফরিদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে বাংলানিউজকে জানান বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. বোরহান উদ্দিন।

এদিকে, ফরিদের মৃত্যুর খবরে শরীয়তপুরে তার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

তার ভাই মিজান বাংলানিউজকে বলেন, তার ভাইয়ের  মৃত্যুতে পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য তাকে ৪ বছর আগে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ইরাকে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ইউরোপে যাওয়ার লোভ দেখিয়ে দালালরা তাকে তুরস্কে নিয়ে ছেড়ে দেয়। পথে ২ বার জিম্মি করে আরো ২ দফায় ৮ লাখ টাকা আদায় করে দালালরা। এসব দালালরাও ছিল বাংলাদেশি।

এভাবে সে বিদেশ যাওয়ার পর থেকে কয়েক দফায় মোট ১৫-১৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। অথচ আমরা দরিদ্র পরিবারের সন্তান। পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য ফরিদকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু দেশের মানুষের হাতেই তাকে প্রাণ দিতে হল। আমরা অপরাধীর বিচার চাই।

ফরিদের মৃতদেহ দেশে আনতে প্রায় ৪০ হাজার তুর্কি লিরা খরচ হবে। ইস্তাম্বুলে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা চাঁদা তুলে এ খরচ বহন করছেন বলে জানিয়েছেন বাদল নামে এক প্রবাসী।

বাংলাদেশ সময়: ০০৪৯ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৫
জেপি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14