bangla news

স্বতস্ফূর্ত নির্বাচন করতে দিন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সিইসি

273 |
আপডেট: ২০১৫-০৩-১৮ ৯:০৩:০০ এএম

সতস্ফূর্তভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ।

ঢাকা: সতস্ফূর্তভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ।

বুধবার (১৮ মার্চ) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সভাকক্ষে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় এ আহ্বান জানান তিনি।

সিইসি বলেন, সিটি নির্বাচন একটি নির্দলীয় নির্বাচন। তাই দলগুলোর কাছে আহ্বান করছি, আপনারা নির্বাচনটা স্বতস্ফূর্তভাবে করতে দিন। ২০১৩ সালের চার সিটি নির্বাচনের মতো স্বতস্ফূর্তভাবে এ নির্বাচন হোক।

‘স্বতস্ফূর্ত নির্বাচনের একটা ট্রেডিশন গড়ে উঠুক, এটাই আমরা চাই,’ বলেন তিনি। 

কাজী রকিবউদ্দীন বলেন, প্রার্থীদের রাজনৈতিকভাবে সমর্থন দেওয়া হয়। কিন্তু তারা যেন নির্বাচনে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন ভোটারদের কাছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি (ভায়োলেশন) লঙ্ঘন না করেন, সেটা মোকাবেলা করতে হবে।
 
তাই নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে চলতে প্রার্থী ও সমর্থকদের অনুরোধ করেন সিইসি।
 
আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি।

মোবাইলে ভোটকেন্দ্র:

সিইসি জানান, এবার মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানানোর ব্যবস্থা থাকছে। এক্ষেত্রে ভোটারকে তার মোবাইল থেকে একটি নম্বরে মেসেজ পাঠিয়ে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জেনে নিতে হবে।
 
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস নির্মূল:
 
সংবাদ সম্মেলনে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, হরতাল-অবরোধসহ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আমাদের করার কিছু নেই। তবে তফসিল ঘোষণার আগেই আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলাম। তারা জানিয়েছেন-পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, আরও হবে।

‘তবে হঠাৎ চোরাগোপ্তা হামলা আশঙ্কা থেকেই আমরা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাস নির্মূলের কথা বলেছি। সে ব্যবস্থা নিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ সহিংস ঘটনা ঘটায় না, এসব করে সন্ত্রাসীরা,’ যোগ করেন সিইসি।

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলেই প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলেও মনে করেন তিনি।
 
সেনাবাহিনী মোতায়েন:
 
নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সেনাবাহিনী নামানোর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান সিইসি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সকলের পক্ষ থেকে একটা চাপ ছিলো নির্বাচন করার। মে মাসে ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক ম্যাচ আছে। তাই সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনটা একটু আগেই এবং একদিনেই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম):

ইভিএম প্রসঙ্গে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, আগের চার সিটি নির্বাচনে ইভিএমে কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় এবার তা থাকছে না। তবে এ সমস্যার সমাধান হলে, সামনের নির্বাচনগুলোতে ইভিএম থাকবে।
 
ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে জানিয়ে সিইসি বলেন, নিজ নিজ প্রার্থীদের এলাকার প্রার্থীদের নির্দিধায় ভোট দেবেন। ভোটারদের নিরাপত্তায় আমরা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবো।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি):
 
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ৩৬টি ওয়ার্ডে মোট ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৩ জন ভোটার রয়েছেন। ডিএনসিসি-তে এক হাজার ৮৭টি ভোট কেন্দ্রে থাকবে বলে জানায় ইসি।
 
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি):
 
ডিএসসিসি-এর ৫৭ ওয়ার্ডে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৩৬৩ ভোটার রয়েছেন।  এ এলাকায় কেন্দ্র রয়েছে ৮৭৩টি।
 
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি):
 
চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডে ভোটার আছেন ১৮ লাখ ২২ হাজার ৮৯২ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৭৫০টি।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৯০৪ ঘণ্টা, মার্চ ১৮, ২০১৫

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2015-03-18 09:03:00