[x]
[x]
ঢাকা, শনিবার, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
bangla news
কামারুজ্জামানের ফাঁসি

সাক্ষীদের নিরাপত্তায় পুলিশ ক্যাম্প

1091 |
আপডেট: ২০১৪-১১-০৮ ৫:৩৪:০০ এএম
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষীদের (বিধবা পল্লীর বিধবা ও শহীদ পরিবারের সন্তান) নিরাপত্তায় শেরপুরের নালিতাবাড়ীর কাকরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

শেরপুর: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষীদের (বিধবা পল্লীর বিধবা ও শহীদ পরিবারের সন্তান) নিরাপত্তায় শেরপুরের নালিতাবাড়ীর কাকরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে সোহাগপুর গ্রামের বিধবাপল্লীর পার্শ্ববর্তী ইউপি ভবনটিতে অবস্থান নেয় পুলিশ। শনিবার (০৮ নভেম্বর) সকাল থেকেই বিধবাপল্লীতে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশ ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানায়, একাত্তরের ২৫ জুলাই সোহাগপুর গ্রামে রাজাকার- আলবদর বাহিনীর সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। বেনুপাড়ার পুরুষদের (১৮৭ জন) হত্যা করে পরিণত করা হয় বিধবাপল্লীতে। ওইদিন ৫৭ নারী বিধবা হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৩১ জন বেঁচে আছেন।

তাদের মধ্যে তিন বিধবা ও শহীদ পরিবারের এক সন্তান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ কারণে বিধবা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
 
সোহাগপুর বিধবা কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও ট্রাইব্যুনাল-২ এর সাক্ষী জালাল উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ‘শত্রুর তো শেষ নাই। ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দেওয়ার পর থাইকা স্থানীয় কিছু লোক আমাকেসহ বিধবাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেহায়, কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল থাহুনে অনেকেই বিধবাপল্লীতে আসা-যাওয়া করে। এতে বিধবারা কিছুডা ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে। পুলিশ ক্যাম্প হওয়ায় বিধবা ও শহীদ পরিবারের মধ্যে কিছুডা সাহস ফিইরা আইছে’।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহিবুল ইসলাম খান বাংলানিউজকে বলেন, সোহাগপুরের বিধবা ও ট্রাইব্যুনালের সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আমিনুল হক বাংলানিউজকে বলেন, বিধবা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা  নিশ্চিত করতে বিধবাপল্লীর পাশে পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি টিম অস্থায়ীভাবে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করে অবস্থান নিয়েছে। তারা সার্বক্ষণিক পুলিশি টহল অব্যাহত রাখবে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগের মধ্যে কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সোহাগপুরে হত্যাযজ্ঞ ও ধর্ষণের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের-২ ফাঁসির আদেশ দেন। আপিল বিভাগ সেই রায় বহাল রাখেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৪ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৮, ২০১৪

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14