ঢাকা, সোমবার, ১১ চৈত্র ১৪২৫, ২৫ মার্চ ২০১৯
bangla news

বার্সাকে হারের টিকিট ধরিয়ে দিল পিএসজি

1858 |
আপডেট: ২০১৪-০৯-৩০ ৪:৪৩:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল স্প্যানিস জায়ান্ট বার্সেলোনা। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নেমেছিল স্বাগতিক প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন। ৬৩ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখেও কাতালানরা ৩-২ গোলে হেরেছে।

ঢাকা: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল স্প্যানিস জায়ান্ট বার্সেলোনা। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নেমেছিল স্বাগতিক প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন। ৬৩ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখেও কাতালানরা ৩-২ গোলে হেরেছে।

শুরুতেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা গড়ায়। ম্যাচের ১০ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় পিএসজি। ব্রাজিল তারকা ডেভিড লু্ইজের গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। চেলসি থেকে এ মৌসুমে পিএসজিতে পাড়ি জমানো লুইজ আরেক তারকা লুকাসের কাছ থেকে বার্সার ডি বক্সে বল পেয়ে রক্ষনকে ভড়কে দিয়ে গোল করেন।

পিএসজির লিড বেশিক্ষন টিকতে পারেনি আর্জেন্টাইন তারকা মেসির কল্যানে। পরের মিনিটে (ম্যাচের ১১তম মিনিটে) আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পাসে অসাধারন একটি গোল করেন মেসি। এটি তার ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৪০২তম গোল।

১৩ মিনিটের মাথায় পিএসজির আবারো সুযোগ এসেছিল লিড নেওয়ার। এডিনসন কাভানির সে সুযোগ নষ্ট হয় গোলবারের উপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেওয়ায়।

ম্যাচের ২৩ মিনিটে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল পেয়ে গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার। সহজ গোলের এ সুযোগ হাতছাড়া করার দুই মিনিট পরেই পিএসজি আবারো লিড নেয়। থিয়েগো মোত্তার কর্নার কিক থেকে বার্সার গোলরক্ষক টার স্টেগেনকে পরাস্থ করে হেড থেকে গোল করেন মার্কো ভেরাত্তি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচের শেষ আটটির মধ্যে চারটিতেই হারে বার্সা। জিতেছে মাত্র দুটি ম্যাচে। এমন অবস্থায় লুইস এনরিকের শিষ্যরা যখন পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় তার এক মিনিট আগে মেসিকে ফাউল করায় ফি-কিক লাভ করে কাতালানরা। ফ্রি-কিক নিতে এগিয়ে আসেন মেসি নিজেই। কিন্তু তার বাঁকানো শটটি গোলপোস্টের কয়েক ইঞ্চি উপর দিয়ে চলে যায়।

পিএসজির গোল মেশিন খ্যাত জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের ইনজুরিতে মাঠে নামা হয়নি। কিন্তু তারপরও স্বাগতিকদের বারংবার আক্রমণে বার্সার রক্ষন মোটেও স্বস্তিতে থাকতে পারেনি। বিরতি থেকে ফিরে আবারো বলের দখলে মেতে উঠে পিএসজি ও বার্সা।

ম্যাচের ৫৪ মিনিটে মাতুইদি গোল করে ব্যবধান বাড়ান। তার গোলের পর পিএসজির কোচ লরেন্ট ব্লাঙ্কোর নিজেরো যেন বিশ্বাসই হতে চাচ্ছিল না তার শিষ্যদের এমন খেলা। ভ্যান ডার ওয়েইলের দারুণ একটি ক্রস থেকে বল পেয়ে মাতুইদি গোলটি করেন।

এর এক মিনিট যেতে না যেতেই এবার ব্যবধান কমান নেইমার। কাতালানদের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নেইমার। দানি আলভেজের বামপাশ থেকে পাঠানো বলে লাফিয়ে উঠে হেড করে স্কোর করতে চেয়েছিলেন মেসি। কিন্তু মেসি বলের নাগাল না পেলেও নেইমার আলতো শটে পিএসজির জালে বল জড়ান।

ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে একটি বল পিএসজির রক্ষনে বাধা পেয়ে ইনিয়েস্তার পায়ে আসে। কিন্তু তিনি গোলবারের উপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দিলে সমতায় ফেরা হয়নি কাতালানদের। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে গোল পেয়েও পাওয়া হয়নি বার্সার। আলবার গোলমুখে শটটি আচমকা রুখে দেন মারকুইনহোস। অনেকটা গোল উৎযাপনের ভঙ্গিতে আনন্দে মেতে উঠেন পিএসজির এ ফুটবলার।

ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে এ মৌসুমের যে কোনো লিগের প্রথম হার মেনে নিতে হয় লুইস এনরিকের ছাত্রদের।

বাংলাদেশ সময়: ০২৪৪ ঘণ্টা, ১ অক্টোবর ২০১৪

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db