bangla news

জাতীয় স্বার্থে এনসিটি চালু করা জরুরি

1034 |
আপডেট: ২০১৪-০৮-০৪ ১০:১১:০০ এএম
মাহবুবুল আলম

মাহবুবুল আলম

নির্মাণের প্রায় সাত বছর পরও চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) চালু না হওয়ার রহস্য উদঘাটন করে অবিলম্বে এটি চালুর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

চট্টগ্রাম: নির্মাণের প্রায় সাত বছর পরও চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) চালু না হওয়ার রহস্য উদঘাটন করে অবিলম্বে এটি চালুর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বন্দরের ৫৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কিলোমিটার দীর্ঘ টার্মিনালটি চালু করা জরুরি মনে করছেন তিনি।

জাতীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার না হওয়াতে দুঃখ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি বলেন, যে পরিমাণ টাকা খরচ করে এনসিটি নির্মাণ করা হয়েছে তা বেসরকারিভাবে ব্যবহার হলে তা কি অবস্থা হতো।

সরকারি টাকা বলে কি এতই অবহেলা? এ টার্মিনালটি ব্যবহার না করা খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিটি কিভাবে চালু করা যায় এমন প্রশ্নের উত্তরে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি বাংলানিউজকে বলেন, ব্যবহারকারীদের সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করে সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এটি চালু করতে হবে।

এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে টার্মিনালটির পরিচালনা নিয়ে এখন দুটি পক্ষ পরস্পরবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। এক পক্ষ বলছে, বন্দরে কেনা যন্ত্রপাতি দিয়ে বেসরকারি অপারেটররা দরপত্রের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে এনসিটি পরিচালনা করবে।

অপর পক্ষ বেসরকারি অপারেটর যন্ত্রপাতি কিনে দীর্ঘমেয়াদে টার্মিনাল পরিচালনার পক্ষে মত দিয়েছে। তারা বলছেন, এতে বন্দরের প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করতে হবে না। কেনাকাটা নিয়ে জটিলতাও তৈরি হবে না।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম চেম্বার কোন পক্ষে  জানতে চাইলে মাহবুবুল আলম বলেন, আমাদের কোন পক্ষ নেই। আমরা সব সময় বন্দর ব্যবহারকারীদের পক্ষে।

জাতীয় স্বার্থ বিঘ্নিত না করে অবিলম্বে এনসিটি চালুর দাবি জানান তিনি।

২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়ে ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হয় এনসিটি টার্মিনালের। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের খরচ হয় ৪৬৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। পরে দুটি জেটির পেছনের কনটেইনার রাখার চত্বর তৈরিতে ব্যয় হয় প্রায় ৯৮ লাখ টাকা।

সহিংস আন্দোলন চায় না জনগণ:
এদিকে সকল রাজনৈতিক দলের আন্দোলন করার অধিকার থাকলেও সহিংস আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণ সমর্থন করে না বলে মনে করেন মাহবুবুল আলম।

বিএনপির ঈদ পরবর্তী সরকার বিরোধী আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে চেম্বার সভাপতি বলেন, রাজনীতির স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। একটি দেশের উন্নয়নের পূর্ব শর্ত হচ্ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। পেছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই। অর্থনীতির গতি সচল রাখতে ব্যবসায়ীরা সব সময় সরকার ও বিরোধী দলের সহযোগিতা কামনা করে আসছে। দেশের স্বার্থে এখনও আমরা তাদের সহযোগিতা চাই।  

বাংলাদেশ সময়:১৮২৯ঘণ্টা, আগস্ট ০৪, ২০১৪

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2014-08-04 10:11:00