ঢাকা, সোমবার, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৪ জিলহজ ১৪৪৩

ফুটবল

ফিফার কাছে অ্যামনেস্টির ক্ষতিপূরণ দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১৫৬ ঘণ্টা, মে ২০, ২০২২
ফিফার কাছে অ্যামনেস্টির ক্ষতিপূরণ দাবি

এবারের বিশ্বকাপের আয়োজক কাতার। শুরু থেকেই বিশ্বকাপ আয়োজকদের নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

বলা হচ্ছিল স্টেডিয়াম নির্মানের সময় বিদেশী শ্রমিকদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। এবার সেই অমানবিক আচরণের ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে ফিফার কাছে। দাবি তুলেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ আরও বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠন।

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাবি করা হয়। ক্ষতিগ্রস্থ বিদেশি শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪৪০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা) বরাদ্দ করার জন্য ফিফার কাছে আহ্বান জানানো হয়।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘২০১০ সালে ফিফা যখন কাতারকে ২০২২ সালে বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে কাতারকে নির্বাচন করলো, তখন থেকেই নির্মাণ কাজ শুরু করে কাতার এবং তখন থেকেই তারা বিদেশি শ্রমিকদের মানবাধিকার লঙ্ঘণ করে আসছিল। অথচ, ফিফা কাতারে শ্রমিকদের রক্ষায় কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল সে সবের কোনো খোঁজ-খবর পর্যন্ত নেয়নি। ফিফা নামক যে সংস্থাটি রয়েছে, তাদের অবশ্যই উচিৎ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি থেকে ৪৪০ মিলিয়ন ডলার এসব ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকদের জন্য বরাদ্ধ দেয়া। ’

কাতার সরকার বলছে, তাদের লেবার সিস্টেমে বেশ ভালোই অগ্রগতি হয়েছে। তারা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অভিযোগকে অস্বীকার করেছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ এবং দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ফিফাও জবাব দিয়েছে। জবাবে তারা বলেছে, যে সব অভিযোগ উঠেছে, তারা এসবের তদন্ত করবে। পর্যালোচনা করবে এবং যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে ক্ষতিপূরণ দেয়ার একটা পথ বের করে নেবে তারা। ফিফা বলেছে, ‘যতগুলো অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সবই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। ’

তারা আরও জানিয়েছে, এসব নিয়ে কাজ করছে আয়োজকদের একটি সাংগঠনিক কমিটি এবং এরই মধ্যে অনেককেই ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৬ ঘণ্টা, ২০ মে ২০২২
এআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa