ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২২ জিলহজ ১৪৪১

ফিচার

ইতিহাসের এই দিনে

হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ

49 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২৩৫৯ ঘণ্টা, জুলাই ১৮, ২০২০
হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ হুমায়ূন আহমেদ

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়— যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানব সভ্যতার আশীর্বাদ-অভিশাপ।

ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এ গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিন’।

১৯ জুলাই ২০২০, রোববার। ০৪ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনা
১৭৬৩- বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কাছে মীর কাসিমের পরাজয়।
১৯২৫- এডলফ হিটলারের ‘মাইন ক্যাম্প’ গ্রন্থ প্রকাশ।
১৯৪৯- লাওসের স্বাধীনতা লাভ।
১৯৫২- গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধন।

জন্ম
১৮৬৩- বাঙালি কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
১৮৯৩- রুশ এবং সোভিয়েত কবি, নাট্যকার, শিল্পী ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি।  
১৮৯৯- বাঙালি সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
১৯৩৬- বাংলাদেশি লেখক, অনুবাদক, প্রকাশক এবং জনপ্রিয় মাসুদ রানা সিরিজের স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন।
১৯৩৮- ভারতীয় জ্যোতিপদার্থ বিজ্ঞানী জয়ন্ত নারলিকর।

মৃত্যু
১৯৭১- গুয়েতেমালীয় কবি, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী রোমেলিয়া অ্যালারকন ফোলগার।
২০০০- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নারী বিপ্লবী ও সাহিত্যিক কমলা দাশগুপ্ত।
২০০৮- বাংলাদেশী কবি, কলামিস্ট ও লেখক সমুদ্র গুপ্ত।
২০১২- বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচিত্রনির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোনা মহুকুমায় জন্ম। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও সমাদৃত। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। বাংলা উপন্যাসে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পদক ও হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৪ সালে দেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে এই নন্দিত লেখক না ফেরার দেশে চলে যান।

বাংলাদেশ সময়: ০০০ ঘণ্টা, জুলাই ১৯, ২০২০
টিএ


 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa