ঢাকা, সোমবার, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২২ জুলাই ২০১৯
bangla news

মায়া মন্দিরের রহস্য উন্মোচন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-০৬-২৫ ৯:৩০:২৭ এএম

মেক্সিকোর সুপ্রাচীন মায়া সভ্যতার সময় নির্মিত একটি মন্দিরের ভিতরের অংশের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছেন গবেষকরা। প্রাচীন এ মন্দিরটির ভেতরের অংশ প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে এতোদিন সম্পূর্ণ অজানা ছিল।

মেক্সিকোর সুপ্রাচীন মায়া সভ্যতার সময় নির্মিত একটি মন্দিরের ভিতরের অংশের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছেন গবেষকরা। প্রাচীন এ মন্দিরটির ভেতরের অংশ প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে এতোদিন সম্পূর্ণ অজানা ছিল।

দক্ষিণ-পূর্ব মেক্সিকোর পলেনকিউর ওই মন্দিরের ভেতরের সমাধি কক্ষের ছবি একটি হালকা ও ক্ষুদ্র ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে গবেষকরা সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়েছেন।

মন্দিরের ভেতরে ১৬ ফুট গভীরে ক্যামেরাটি পৌঁছলে এর দেয়ালে খোদাই করা লাল নকশা এবং কালো বর্ণের বিভিন্ন আকৃতির মূর্তির ছবি তোলা সম্ভব হয়।

গবেষকরা বলছেন, এ ছবিগুলো মায়া সভ্যতার অনেক অজানা দিক উন্মোচন করবে।

পলেনকিউর মন্দিরটি ১৯৯৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। কিন্তু পিরামিডটির ভিত দুর্বল হয়ে পড়ার শংকায় প্রত্নতাত্ত্বিকরা খনন কাজ শুরু করেননি।

মেক্সিকোর জাতীয় ইতিহাস ও নৃবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট জানায়, ‘অনেক দিন ধরেই প্রত্নতাত্ত্বিকরা মন্দিরটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। তবে ব্যাপকভিত্তিক কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা অনুসন্ধান এ পর্যন্ত চালানো হয়নি।

একটি দিয়াশলাই বাক্সের সমান দূরনিয়ন্ত্রিত ক্যামেরা ব্যবহার করে খুবই সংকীর্ণ পথ দিয়ে কক্ষটির বিভিন্ন অংশের ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে।
 
ক্যামেরা ভিতরে প্রবেশ করলে রক্তবর্ণের দেওয়ালের গায়ে নয়টি আঙ্গুলের ছাপসম্পন্ন কালো ছবি ও অলংকার খচিত বাদামি পাথরের টুকরোর ছবি পাওয়া যায়। কোনো সমাধিস্থলে এমন নকশা ও রংয়ের পাথর থাকে।

পলেনকিউ হচ্ছে মায়া সভ্যতার একটি শহর। ৮০০ খ্রিস্টপূর্বের দিকে এ শহর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বর্তমানে এটি মেক্সিকোর চিয়াপাস অঙ্গরাজ্যের মধ্যে অবস্থিত এবং সম্পূর্ণ জঙ্গলে ঢাকা।

গত দুই দশক ধরে এর আশপাশে প্রচুর খোঁড়াখুড়ি হয়েছে কিন্তু এখনো বেশির ভাগ অংশই অজানা রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মন্দির খুব সম্ভবত ৫৫০ থেকে ৪৩১ খ্রিস্টপূর্ব সময়ের মধ্যে নির্মিত হয়ে থাকবে। এটি নির্মাণ করেছেন পলেনকিউর প্রথম শাসক প্রথম কুক বালাম।

অনেকে আবার দাবি করেন, এ শহরের প্রথম দিককার নারী শাসক প্রথম ইয়োল ইকনাল এটি নির্মাণ করে থাকতে পারেন।

নৃতাত্ত্বিকরা বলছেন,  অন্য আরো সমাধিক্ষেত্রের খুব কাছিকাছি অবস্থিত হওয়ায় এটি রাজকীয় সমাধিক্ষেত্রের একটি অংশ হতে পারে।

বাংলাদেশ সময় ১৬৪০ ঘণ্টা , জুন ২৫, ২০১১

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ফিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2011-06-25 09:30:27