ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯, ০৯ আগস্ট ২০২২, ১০ মহররম ১৪৪৪

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য

ভারতে জলাতঙ্ক বিরোধী ক্যাম্পেইনে যোগ দিচ্ছেন সিলেটের জয়

সাব্বির আহমদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩৩৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৩
ভারতে জলাতঙ্ক বিরোধী ক্যাম্পেইনে যোগ দিচ্ছেন সিলেটের জয়

ঢাকা: ভারতকে জলাতঙ্ক রোগ (র‌্যাবিস) মুক্ত করতে মাসব্যাপী প্রতিষেধক টিকা কার্যক্রমে যোগ দিতে যাচ্ছেন সিলেটের ছেলে জয় প্রকাশ রায়।  

জয় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের শেষ বর্ষের ছাত্র।

তিনি প্রাণী অধিকার বিষয়ক সংগঠন ‘প্রাধিকার’র সাধারণ সম্পাদক।

শনিবার সিলেট থেকে তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাবেন জয়। সেখানে তিনি যুক্তরাজ্যের চ্যারিটি সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ভ্যাটেরিনারি সার্ভিস’-এর উদ্যোগে ভারতে প্রাণঘাতী জলাতঙ্ক মুক্তকরণ কার্যক্রমে যোগ দেবেন।

আগামী ১৫-২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংগঠনটির উদ্যোগে প্রথমধাপে ভারতের প্রায় ৫০ হাজার কুকুরকে প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

জয় প্রকাশ রায় বাংলানিউজকে জানান, প্রথম ধাপে গোয়াহাটিকে র‌্যাবিস মুক্ত করতে কুকুরকে প্রতিষেধক টিকা দেওয়ার কার্যক্রমে অংশ নেবেন তিনি।

এ কার্যক্রমে বিশ্বের ১০ টিরও বেশি দেশের ভ্যাটেরিনারি বিশেষজ্ঞ শিক্ষার্থী ও নার্স অংশ নিচ্ছেন।

জয় জানান, প্রথমধাপে র‌্যাবিস প্রতিষেধক টিকা ও দ্বিতীয় ধাপে কুকুরের জন্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ভারতকে ৠাবিস মুক্ত করা হবে।

দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভারত ও বিভিন্ন দেশের ভ্যাটেরিনারি শিক্ষার্থীরা গোয়াহাটিতে সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তত্ত্বাবধান করবে তামিলনাড়ু ভ্যাটেরিনারি ট্রেনিং সেন্টার। ফলে ভারতে কুকুরের ক্রমবর্ধমান প্রজনন হার কমে আসবে। সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণ দেবেন যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা তিনজন শল্য চিকিৎসক।

দুই ধাপে ভারতের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণের পুরো প্রকল্প গ্রহণ করেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চ্যারিটি সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ভ্যাটেরিনারি সার্ভিস। ’

জয় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চ্যারিটি সংগঠন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ভ্যাটেরিনারি সার্ভিস ভারতের পর বাংলাদেশকেও জলাতঙ্ক মুক্ত করতে আগ্রহী হবে। তবে এর জন্য বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে হবে বলে জানান তিনি।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র জয় প্রকাশ রায়-এর গ্রামের বাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নিজামপুর গ্রামে। বাবা শাহজালাল সার কারখানার কর্মকর্তা যশোদা মোহন রায় ও মা গীতা রায় গৃহিনী।   দুই ভাইবোনের মধ্যে জয় প্রকাশ বড়।

বাংলাদেশ সময়: ১৩২৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৩
এসএ/জেডএস/আরআই/এমজেডআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa