ঢাকা, শনিবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

বিনোদন

ডিসেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে ‘একজন মহান পিতা’

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪০২ ঘণ্টা, অক্টোবর ৩০, ২০২০
ডিসেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে ‘একজন মহান পিতা’ সিনেমার একটি দৃশ্য

সিরাজগঞ্জ: ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘একজন মহান পিতা’। মুক্তিযুদ্ধের একটি হৃদয়বিদারক গল্পকে কেন্দ্র করে পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন।

কাহিনী ও চিত্রনাট্যে রয়েছেন পরিচালক নিজেই।  

বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের নিবেদনে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন শেখ শাহ আলম। মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতা, মা-বোনদের উপর নির্যাতন এবং যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশে নির্যাতিতাদের বঙ্গবন্ধু কীভাবে সম্মানিত করেছেন এটাকে উপজীব্য করেই ছবিটির কাহিনী এগিয়েছে।  

নির্মাণ প্রসঙ্গে পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ‘একজন মহান পিতা’ চলচ্চিত্রটি খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছি। এতে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিন। অধিকাংশ নতুন ও অপেশাদার অভিনেতাদের নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। অন্যান্য অভিনেতাদের মধ্যে অভিনয়ে রয়েছেন রাশেদ রেহমান, রাজিব, সৃষ্টি মির্জা, আলভী সরকার, রিনা, সাগরিকা মন্ডল, রাকিব হোসেন,  খোকন, এস বিজয়, চান মিয়া শিকদার প্রমুখ।
 
তিনি বলেন, বেশ ক'বছর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সীমাহীন উদারতার একটি বিষয়কে উপজীব্য করে এই গল্পটি লিখেছিলাম। ২০১৬ সালে এই গল্প নিয়ে একটি বেতার নাটকও নির্মাণ করেছিলাম। সেই গল্পটি ভেঙে আরও জীবন্ত করে তোলার চেষ্টা করেছি। আর এটির বাস্তবরূপ দেবার জন্য এগিয়ে আসেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি শেখ শাহ আলম। প্রযোজক শেখ শাহ আলমের কথা ও সুরে এ চলচ্চিত্রে রয়েছে তিনটি গান। ছবি নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি মুক্তি পেতে পারে।  

প্রযোজক শেখ শাহ আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে সুস্থধারার সংস্কৃতির কোন বিকল্প নেই। যুব সমাজ নাটক, সিনেমা, গান, কবিতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মরণ নেশা এখন মারণাস্ত্র  হয়ে নিরবে ঘায়েল করছে যুবশক্তিকে। এসব থেকে বাঁচার জন্যে যে পদক্ষেপগুলো নেয়া যেতে পারে তার জরুরি একটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ পরিবেশনা। আর সেটি যদি হয় চলচ্চিত্র তাহলে যুব সমাজকে সঠিক পথে টানতে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই এই স্পর্ধিত প্রয়াসকে আলোর মুখ দেখাতে সাথে পেয়েছি মির্জা সাখাওয়াত হোসেনের মতো গুণী পরিচালককে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৪০২ ঘণ্টা, অক্টোবর ৩০, ২০২০
এমকেআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa