ঢাকা, শনিবার, ৪ আশ্বিন ১৪২৭, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০ সফর ১৪৪২

বিনোদন

৭৪ দেশের চলচ্চিত্র নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

বিনোদন ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২৫১ ঘণ্টা, জানুয়ারী ৯, ২০২০
৭৪ দেশের চলচ্চিত্র নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

নয় দিনব্যাপী অষ্টাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠছে। ১১ জানুয়ারি (শনিবার) থেকে শুরু হয়ে এ উৎসব চলবে ১৯ জানুয়ারি (রোববার) পর্যন্ত। এবার ৭৪টি দেশের মোট ২২০টি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে।

উৎসব উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) আয়োজক প্রতিষ্ঠান রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের পক্ষ থেকে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন উৎসব কমিটির চেয়ারম্যান কিশওয়ার কামাল ও পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল।

এছাড়া উৎসবের নির্বাহী সদস্যের মধ্যে মফিদুল হক, ম. হামিদ, ড. নাজমুল এ কলিমুল্লা এবং উৎসবের প্রধান প্রোগ্রামার ইরানি নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সংগঠক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন-ব্যাপ্তি ও গুণগত মানের বিচারে এশিয়ার অন্যতম চলচ্চিত্র উৎসবে পরিণত হয়েছে। একইসঙ্গে এই উৎসব দেশে রুচিসম্পন্ন ও ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ব্যাপক অবদান রাখছে। তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ধারার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতে যেমন সফল হয়েছে, তেমনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অনুরূপ ধারাকে বলিষ্ঠ করেছে।  

‘এই আন্তর্জাতিক উৎসবের মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমীরা সারাবিশ্বের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নতুন নতুন চলচ্চিত্র উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা আমাদের অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের এক বছরের অপেক্ষার পর আবারও আগামী ১১ জানুয়ারি পর্দা উঠছে অষ্টাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। ’

তিনি আরও জানান, শনিবার বিকেল চারটায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম।  

স্পেন ও গ্রীসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ও মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল জিমেনেজ পরিচালিত ‘উইন্ডো টু দ্য সি’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে উৎসবের পর্দা উঠবে। সে সময়ে মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল জিমেনেজ উপস্থিত থাকবেন এবং তিনি এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগে জুরির দায়িত্ব পালন করবেন।  

উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর স্থানসমূহ- জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা মিলনায়তন, অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন, মধুমিতা প্রেক্ষাগৃহ ও স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি ও সীমান্ত স্কয়ার)।

উৎসবের ২২০টির মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য (৭০ মিনিটের বেশি) চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১১৭টি, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১০৩টি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আছে ২৬টি। এর মধ্যে ১৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন এবং ৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য।

প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবেন। সেক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেটমূল্য ৫০ টাকা।

বিদেশি অতিথি, চলচ্চিত্রের সংখ্যা ও মান নিরিখে অষ্টাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আগের তুলনায় আরও ব্যাপক ও বর্ণাঢ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।  

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৯, ২০২০
জেআইএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa