[x]
[x]
ঢাকা, সোমবার, ৬ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
bangla news

রবি-চ্যানেল আই বিজয়মেলায় আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সুজেয় শ্যাম

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-১২-১৪ ৪:৪৬:৩৬ এএম

প্রতিবছর বিজয় দিবস উপলক্ষে চ্যানেল আই তাদের তেজগাঁওয়ের নিজস্ব কার্যালয় চত্বরে আয়োজন করে ‘রবি-চ্যানেল আই বিজয় মেলা’। প্রতিবারের মতো এবারের আয়োজনও থাকবে বৈচিত্র্যময় ও জাঁকজমকপুর্ণ।

প্রতিবছর বিজয় দিবস উপলক্ষে চ্যানেল আই তাদের তেজগাঁওয়ের নিজস্ব কার্যালয় চত্বরে আয়োজন করে ‘রবি-চ্যানেল আই বিজয় মেলা’। প্রতিবারের মতো এবারের আয়োজনও থাকবে বৈচিত্র্যময় ও জাঁকজমকপুর্ণ। বিজয়ের ৪০ বছরকে স্মরণীয় রাখতে এ বিজয় মেলাকে ঘিরে নেয়া হয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। এবার বিজয়মেলা আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা সুজেয় শ্যাম।  

বিজয় মেলা সামনে রেখে ১৪ ডিসেম্বর চ্যানেল আই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রবি’র সিএফও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি., চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ এবং আজীবন সম্মাননায় ভূষিত সুজেয় শ্যাম।। আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা ও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যবৃন্দ।  এসময় বায়েজিত খুরশীদ রিয়াজ এর কথা ও সূরে স্বাধীনতার ৪০ বছর উপলক্ষে চ্যানেল আই নির্মিত একটি গানের ভিডিওচিত্র দেখানো হয়। অরুণ চৌধুরীর পরিচালনায় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন ও এন্ড্রু কিশোর। সংবাদ সম্মেলনটি স্টুডিও থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে চ্যানেল আই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সুধীজনরা মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তারা এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনে চ্যানেল আই ও রবিকে ধন্যবাদ জানান ও চ্যানেল আই-এর এ ধরনের মহৎ উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন এবং সে সময়কার বিশেষ কিছু মুহূর্তেরে স্মৃতিচারণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে সুজেয় শ্যাম বলেন, আমাকে সম্মানিত করায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানাই। আমি মনে করি আমার মাধ্যমে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সমস্ত শিল্পী সম্মানিত হয়েছে। আমি চ্যানেল আই-এর সবকটি কাজের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছি এবং থাকবো। তাদের প্রত্যেকটি উদ্যোগ অবিস্মরণীয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তিতে ১৬ ডিসেম্বর সকালে ৪০টি শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে জাঁকজমকপুর্ণ এ মেলার উদ্বোধন করা হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শিল্পী-কলাকুশলী, নারী মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনবাংলা ফুটবলদলের সদস্যবৃন্দ, দেশের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকবৃন্দ, আইনজীবি, দেশ বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, চিত্র শিল্পীবৃন্দ, সঙ্গীতশিল্পী-সাহিত্যিক, আবৃত্তি শিল্পী, লেখক ও দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ মেলার উদ্বোধনে অংশ নিবেন। বর্ণিল মঞ্চ, তোরণ ও ফেষ্টুনে সুসজ্জিত থাকবে মেলা প্রাঙ্গন। মেলায় ৭ বীরশ্রেষ্ঠ-এর নামে ৭টি স্মারক স্তম্ভ এবং ১১ সেক্টরের স্বরণে ১১টি স্থান নির্দিষ্ট থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থমালা, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র, মুক্তিযুদ্ধ প্রতিদিন-এর ষ্টল ছাড়াও থাকবে কুঠিরশিল্প ও দেশীয় পণ্যের আরও বেশ কিছু ষ্টল। মেলাটি প্রযোজনা করবেন আমীরুল ইসলাম ও শহিদুল আলম সাচ্চু।

বিজয় মেলায় দেশের ২০জন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পীর অংশগ্রহনে সরাসরি বিজয়ের চিত্র অংকিত হবে। দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পীদের আঁকা এ চিত্রমালা বিক্রয়ের অর্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর-এর উন্নয়নের জন্য দেয়া হবে। প্রথমবারের মতো এ মেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের রচিত ১৯৭১-এর লিখিত ডাইরি প্রদর্শন করা হবে। তেজগাঁওস্থ চ্যানেল আইয়ের নিজস্ব ভবন চত্বরে দুইটি মঞ্চ থেকে বিজয় মেলার অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই। মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্মৃতিচারণ ছাড়াও মেলায় সঙ্গীত পরিবেশন করবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠযোদ্ধারা, দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পীবৃন্দ। স্বনামধন্য আবৃত্তিশিল্পীদের কন্ঠে থাকবে আবৃত্তি। নৃত্য পরিবেশন করবেন খ্যাতিমান শিল্পীরা। এছাড়া শিশু-কিশোররাও বিজয়ের চিত্রাংকন করবে।

বাংলাদেশ সময় ১৫৩০, ডিসেম্বর ১৪,২০১১

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache