ঢাকা, শুক্রবার, ৯ আশ্বিন ১৪২৭, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬ সফর ১৪৪২

তারার ফুল

পূজার গল্পে অপু ও মিম

কামরুজ্জামান মিলু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১১১ ঘণ্টা, অক্টোবর ১, ২০১৪
পূজার গল্পে অপু ও মিম অপু বিশ্বাস / বিদ্যা সিনহা মিম

শরৎ-উৎসবে কতো না রং! শরতে বিকেলের নরম আলোয় যেন স্বপ্নিল আবহ জড়িয়ে থাকে। সকালের কুয়াশামাখা ঘাসে শিউলি ঝরে পড়তেই পুজোর গন্ধ ছড়ায় চারদিকে।

বাহারি রঙে সাজানো মণ্ডপগুলো যেন রঙিন ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো প্রজাপতি। দেবীর সাজেও রঙ-বেরঙের ছোঁয়া। আনন্দময়ীর আগমন এক অনাবিল আনন্দ হয়ে এসেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জীবনে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুই তারকা অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও বিদ্যা সিনহা মিমের পূজার গল্প জেনে নিন।

অপু বিশ্বাস
বেড়ে ওঠার পর ব্যস্ততা বেড়েছে আমার। তারপরও ছেলেবেলা এখনও পিছু টানে আমাকে। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলো এলেই মনে পড়ে অনেক স্মৃতি। এখন দুর্গাপূজা কখন আসে কখন যায়, টেরই পাই না। এসএসসি পাসের আগ পর্যন্ত পূজার দিনগুলোতে অনেক মজা করতাম। দীপ্তি নামে আমার এক বান্ধবী ছিল। ওর সঙ্গে অনেক সময় কেটেছে আমার। এখন আর আমাদের যোগাযোগ হয় না।

সর্বশেষ ২০১১ সালে গ্রামের বাড়ি বগুড়ায় পূজা উদযাপন করেছিলাম। তখন শাকিব খানও গিয়েছিলেন। ওই সময় দীর্ঘ বিরতির পর বদিউল আলম খোকনের ‘ডেয়ারিং লাভার’ আর নজরুল ইসলাম খানের ‘কঠিন প্রতিশোধ’ ছবি দুটিতে চুক্তিবদ্ধ হই। ওজন কমিয়ে বিরতির পর অভিনয়ে ফিরেছিলাম। আর গতবারের পূজায় ঢাকায় ছিলাম। তখন তেমন একটা মজা হয়নি। এবারের পূজায় দেশের বাইরে যাচ্ছি। একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ৩ অক্টোবর কাতারে যাচ্ছি। না যাওয়া হলে বগুড়ায় মন্ডপে যেতাম। সেখানে মেলায় গিয়ে কেনাকাটা করতাম। সেইসব দিনগুলো অনেক মিস করি এখন।

বিদ্যা সিনহা মিম
গতবার দশমীতে প্রবাসীদের সঙ্গে উড়োজাহাজে ছিলাম। কারণ ওই দিনে কাতার গিয়েছিলাম। এবার পূজা উদযাপন করতে মামার বাড়ি রাজশাহীতে যাবো। এবারও অনেক মজা করতে চাই। এখন তো চাইলেও অনেক কিছু করা হয় না। ছোটবেলায় সারাদিন পূজামন্ডপ ও মেলায় কেনাকাটা করে সময় কাটতো। উপহারও পেতাম প্রচুর। আর বাবার চাকরি সূত্রে ভোলা, কুমিল্লাসহ অনেক জায়গায় পূজা উদযাপন করেছি।

এবারে রাজশাহী যাচ্ছি, সেখানে মামা-মামী, দাদা-দাদী, মাসীসহ অনেকের সঙ্গে পূজায় আনন্দ করবো। আর ছোট ভাইবোনদের জন্য অনেক উপহার নিয়ে যাবো। আমাকে দাদী, মামা-মামী উপহার দেয়। আগে পূজায় নতুন পোশাক নিয়ে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করতো আমার মধ্যে। মন্দিরে যাওয়ার আগে ভোরে সেগুলো পড়তাম। শৈশবে পূজার সব পর্বে অংশ নিতাম। এখন আঙ্গিকটা একটু আলাদা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় : ২১১০ ঘণ্টা, অক্টোবর ১, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa