bangla news

জাপার সাবেক হুইপসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

বেলাল হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-২৫ ৫:৫৮:৪৮ এএম
নুরুল ইসলাম ওমর। ফাইল ফটো

নুরুল ইসলাম ওমর। ফাইল ফটো

বগুড়া: জামানতের টাকা ফেরত পেতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই তার আসনে প্রাপ্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে।

সে হিসাবে সোমবার (২৪ জুন) বগুড়া-৬ (সদর) আসনে হয়ে যাওয়া উপ-নির্বাচনে ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমরসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
 
অবশ্য ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়ে নুরুল ইসলাম ওমর ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়েছিলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুই লাখ ৭০ হাজার ২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। ওই দফায় জামানত হারানো থেকে রক্ষা পেলেও এবারের উপ-নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত খোয়ালেন এই সাবেক এমপি।

আরও পড়ুন...বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচনে বিএনপির জিএম সিরাজ জয়ী
 
উপ-নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ২৭১টি। এই উপ-নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০টি।  
 
সোমবার (২৪ জুন) রাতে বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাচন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, নিয়মানুযায়ী উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সরকারি কোষাগারে জামানত বাবদ টাকা জমা দিতে হয়েছে। জামানতের টাকা ফেরত পেতে হলে প্রার্থীকে তার আসনে প্রাপ্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এ আসনটি থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ২ লাখ ৭০ হাজার ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ওই সময় তার নিকটতম মহাজোট প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও দলের সাবেক চিফ হুইপ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছিলেন ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট।
 
কিন্তু বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ না নেওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। যে কারণে তফসিল দিয়ে আসনটিতে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সময় দেয় সোমবার (২৪ জুন) নির্বাচন কমিশন।
 
এ উপ-নির্বাচনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এসব প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের টি জামান নিকেতা নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট।
 
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজ মণ্ডল আপেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৯২০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ কবির আহাম্মেদ মিঠু ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৩০ ভোট, বাংলাদেশ মুসলীম লীগের মুফতি রফিকুল ইসলাম হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫৪ ভোট ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের অধ্যাপক মনসুর রহমান ডাব প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫৬ ভোট।
 
নিয়মানুযায়ী এই উপ-নির্বাচনে অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া জাপার সাবেক চিফ হুইপসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
 
বাংলাদেশ সময়: ০৫৫৯ ঘণ্টা, জুন ২৫, ২০১৯
এমবিএইচ/এনটি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

নির্বাচন ও ইসি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-06-25 05:58:48