ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

শিক্ষা

বাংলার নারীদের বঙ্গমাতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান 

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯২৮ ঘণ্টা, আগস্ট ৮, ২০২২
বাংলার নারীদের বঙ্গমাতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান 

জামালপুর: জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহিয়সী নারী, বাঙালির স্বপ্নজয়ের সারথি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মায়ের জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার (০৮ আগস্ট) কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

কর্মসূচির শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব-এর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ। এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফারুক হোসেন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক খান মো. অলিয়ার রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।  

পরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বঙ্গমাতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে যে মানবিক কুসুম-কোমলতা এবং কর্তব্যনিষ্ঠা পরিলক্ষিত হয়েছে তা নিয়ে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে তাঁর আত্মজীবনী লিখতে উৎসাহ দেওয়া এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ সময়ে সেই পাণ্ডুলিপি দখলদার সামরিক জান্তার কব্জা থেকে উদ্ধার করা বঙ্গমাতার এক সাহসিক ও বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলময় কাজ। এভাবে সব আন্দোলন-সংগ্রামে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে বঙ্গমাতা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নেপথ্যের কারিগর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।  

বঙ্গমাতা সংসারের বিষয়ে, রাজনীতির বিষয়ে যখনই যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন-তা সবসময়ই সঠিক ও সমপোযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। শত কষ্ট-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কীভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখা যায় তা বঙ্গমাতার জীবন থেকে শিক্ষা নিতে পারে বাংলার নারীরা।

মহিয়সী এই নারীর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি গবেষণাধর্মী আন্তর্জাতিকমানের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ।  

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মেলান্দহ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র শফিক জাহেদী রবিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. জিন্নাহ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস উদ্দিন বক্তব্য দেন।
 
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আনিসুজ্জামান, সেকশন অফিসার মির্জা আব্দুল হালিম, ছাত্রলীগ শাখার আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ স্বাধীন, যুগ্ম আহ্বায়ক ইরফানুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ, তাইফুল ইসলাম পলাশ, মোশাররফ হোসেন, ইনতিসার আহমেদ সানি প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৫ ঘণ্টা, আগস্ট ০৮, ২০২২
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa