bangla news

শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন আসছে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১১-১৪ ৪:২৯:৫৭ পিএম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন। ছবি: বাংলানিউজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সবারই সমান গ্রেড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেলে ১১তম ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডের সম্মতি দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। এবার বিষয়টিতে আইনি মতামত নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মঞ্জুর কাদির প্রমুখ।

আগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা ১১তম ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকরা ১২তম গ্রেডে বেতন পেতেন। আর সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা ১৪তম ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকরা ১৫তম গ্রেডে বেতন পেতেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সবার জন্যই সমান করা হয়েছে।  

আকরাম-আল-হোসেন বলেন, মানা না মানা পরের বিষয়। প্রধান শিক্ষকদের দুই স্কেল বলবৎ রয়েছে- ১১তম ও ১২তম। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ১১ ও প্রশিক্ষণ ছাড়াদের ১২। এ দুটো এক করে ১১ করা হয়েছে।

সহকারী শিক্ষকদের একই স্কেলে নিয়ে আসা হচ্ছে জানিয়ে সচিব বলেন, সহকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ১৪তম ও প্রশিক্ষণ ছাড়াদের ১৫তম গ্রেড। সেটা এক করে ১৩ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের ম্যানডেট হচ্ছে, সরকারের যখন তার নিয়োগ দেয় প্রশিক্ষণের দায়িত্ব সরকারের, তাহলে কেন শিক্ষক ভুগবে।

আদালতের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে গণশিক্ষা সচিব বলেন, আমরা আপিল করেছি। হাইকোর্টের রায় হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে যখন নিষ্পত্তি হবে, মামলা যদি সরকার রিভিউ করে, তখন জুডিসিয়াল প্রসেস অ্যাডজাস্ট হবে, তখনই কেবল বোঝা যাবে আদালত ভায়োলেট করছি কি-না। আমরা এখন তা করছি না।

কবে নাগাদ এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১১ ও ১৩তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন আইনি মতামত দিয়ে জারি করা হবে।

শিক্ষকদের মতের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের নারাজ করে কিছু করতে চাচ্ছি না। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব দেওয়া ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে যে ধারণা দিয়েছে, সে অনুযায়ী করেছি। পরে আমরা রিভিউ করেছি, আমরা একটি নিয়োগবিধি করছি। ১৯৮৫ সালে এটি শেষ নিয়োগবিধি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন> জন্মহার কমায় সমাপনী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩০ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
জিসিজি/একে

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-11-14 16:29:57