ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

শিক্ষা

অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪০০ ঘণ্টা, আগস্ট ৬, ২০১৪
অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার

ঢাকা: শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে জ্ঞানের বিকাশের পাশাপাশি দুটো বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথম, দ্বিতীয়ত এটি শেষ করে যেনো চাকরি পাওয়া যায় তার নিশ্চয়তা।

আর এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের মতামত হচ্ছে পড়ার জন্য এমন বিষয় বেছে নিতে হবে যাতে কোর্স শেষে কারও বসে থাকতে না হয়।

সে হিসেবে এসএসসি/সমমান উত্তীর্ণরা বর্তমান সময়ে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৪বছর মেয়াদী এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যা্স ইঞ্জিনিয়ারিং(এ্যারোস্পেস/এ্যাভিওনিক্স) কোর্সটি বেছে নিতে পারে। আর কোর্সটি চালু রয়েছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক অনুদানপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাইক ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি(এসআইএমটি) ও ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমিকে।

এ কোর্সটি করে একজন শিক্ষার্থী উড়োজাহাজের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিত হন। কোর্সটি আপনাকে হতে কলমে শিখাবে বিমান তৈরি করা, তার ওজন নেওয়া প্রভৃতি কাজ। আকাশে ওড়ার আগে পর্যন্ত বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্চাও করতে হয় তাদের। শিক্ষা জীবন শেষ হওয়ার পরই রয়েছে চাকরির সুযোগ।

এককথায় এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ হলো- এমন একটি মেশিন তৈরি করা, যার নিত্যনতুন ডিজাইন উন্নয়ন করা, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা, যা আকাশে নিরাপদে উড়তে পারে, যেমন- উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার, মিসেলস, স্যাটেলাইট অ্যান্ড স্পেস ক্রাফট, এয়ারফ্রেম তৈরি/এয়ারফ্রেম ইঞ্জিন সৃষ্টি এয়ারক্রাফট ও এর আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতির সংযোগ স্থাপন, উন্নয়ন ও মেরামত করা। ফ্লাইট টেস্ট প্রোগ্রামে টেক অব ডিসটেন্স, রেট অব ক্লইম্ব, সিল স্পিড, ম্যানুইভারিলিটি অ্যান্ড ল্যান্ডিং ক্যাপাসিটি ঠিক আছে কি-না তা দেখাও এএমই-এর কাজ।

আর এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছেন লাইসেন্সপ্রাপ্ত এমন একজন ব্যক্তি, যিনি উড়োজাহাজের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে উড়োজাহাজের ফ্লাইট ডাইনামিক্স কোয়ালিটি, স্ট্যাবিলিটি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম নিয়ে হলো এভনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং।

ভতি যোগ্যতা: এসএসসি/এইচএসসি পাশ হতে হবে। ন্যূনতম জিপিএ ৪.০/৩.৫০ প্রাপ্ত হতে হবে।

মূল্যায়ন পদ্ধতি ও সার্টিফিকেট : এএমই হচ্ছে চার বছরে ৮ সেমিস্টার মেয়াদি প্রোগ্রাম। ৬ মাসে একটি সেমিস্টার। মোট ৭টি সেমিস্টারে ক্লাস টেস্ট, মিড টার্ম, ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একটি সেমিস্টার প্র্যাকটিক্যাল ওয়ার্ক মেইনটেন্যান্সের জন্য দেশবিদেশের বিভিন্ন উড়োজাহাজ কোম্পানিতে পাঠানো হয়। প্রতি পর্ব পরীক্ষা শেষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মার্কশিট এবং সফলভাবে কৃতকার্যরা পাবে সার্টিফিকেট, যা সরকারের অনুমোদিত।

বিশেষত্ব: এ দুটি প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থাসহ রয়েছে প্রায় শতভাগ ব্যবহারিক ক্লাসের নিশ্চয়তা, দক্ষ ট্রেনিংপ্রাপ্ত শিক্ষকমণ্ডলী। ডুয়েল কোরের ১৫০টি কম্পিউটার সমৃদ্ধ ৩টি আধুনিক ল্যাবসহ ওয়াইফাই নেটওয়ার্কিং সমৃদ্ধ আধুনিক ক্যাম্পাস। রয়েছে হোস্টেল সুবিধা।

রয়েছে জব প্লেসমেন্ট বিভাগ। বিভাগটি সদ্য বের হওয়া শিক্ষার্থীদের ভালো চাকরি পেতে সব ধরনের সহযোগিতা করে থাকে। আগ্রহী শিক্ষাথী-অভিবাবকেরা সরেজমিন ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

যোগাযোগ: এসআইএমটি, বাড়ি- ০১, রোড- ০২, ব্লক-বি, সেকশন- ০৬, মিরপুর, ঢাকা। ফোন: ০১৯৩৬০০৫৮১৬-১৮। ইন্সটিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমি, শেওড়াপাড়া(মনিপুর স্কুলের বিপরীতে), মিরপুর, ঢাকা। ফোন- ০১৯৩৬-০০৫৮৯৫, ০১৭৬৭৭১৭০৫০।

বাংলাদেশ সময়: ১৪০০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৬, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa