bangla news

শিক্ষক নিয়োগ: রাবির হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি লাঞ্ছিত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১২-০৬-২০ ৯:৫৫:২৩ এএম

শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র শীল শিক্ষকদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাবি: শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র শীল শিক্ষকদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রকলা ভবনের বিভাগীয় অফিসে শিক্ষকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, গ্লাস ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির একপর্যায়ে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
 
অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র শীল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা আবাসিক হলের প্রাধ্যক্ষও।

অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র শীল বাংলানিউজকে বলেন, “পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী বুধবার শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত আমাদের পরিকল্পনা (প্ল্যানিং) কমিটির সভা হওয়ার কথা ছিল। সেই মোতাবেক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্ল্যানিং কমিটির সাত সদস্য বিভাগে উপস্থিত হন।”
 
তিনি বলেন, “এদের মধ্যে ওই সভায় কমিটির এক সদস্য অধ্যাপক মু. আব্দুল্লাহ আল-হারুন উপস্থিত না হয়ে বরং তা বানচাল করার চেষ্টা করেন। তিনি নিজেকে জামায়াতপন্থি শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন।”
 
তিনি আরও বলেন, “এতে আমি সাড়া না দিলে তিনিসহ অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন, আব্দুল মাজেদ চৌধুরী ও আনোয়ারুল হক আমার ওপর  চড়াও হন। তারা আমার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা গ্লাস, চেয়ার ছোড়াছুড়ি করতে থাকেন এবং আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় অন্যান্য শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে তারা সভাস্থল ত্যাগ করেন।”  

বিষয়টি উপাচার্যকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
 
এ ব্যাপারে পরিকল্পনা কমিটির সদস্য মু. আব্দুল্লাহ আল-হারুন এবং অভিযুক্ত মাঈন উদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা শিক্ষক নিয়োগের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছিলাম।”
 
তারা বলেন, “বিভাগে শিক্ষকদের কোনো সংকট নেই। ছয় মাসের একটি সেমিস্টারে ২৫টি কোর্সের জন্য বর্তমানে ২০ শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক একটি করে কোর্স পড়ালেই মোটামুটিভাবে হয়ে যায়।”
 
তারা অভিযোগ করেন, “পরিকল্পনা কমিটির সভাটি গ্রীষ্মের ছুটির পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকার সময় করার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি (সভাপতি) তা করেননি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়।” তবে নিজেদের পছন্দের লোক নিয়োগ দেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি করে এ সভা আহ্বান করা হয় বলে ওই শিক্ষকরা দাবি করেন।
 
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর আব্দুস সোবহানের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫১ ঘণ্টা, জুন ২১, ২০১২
সম্পাদনা: নাজিম উদ দৌলা সাদি ও ওবায়দুল্লাহ সনি, নিউজরুম এডিটর

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2012-06-20 09:55:23