bangla news
জবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

নীল ও সাদা দলের প্যানেলভিত্তিক মনোনয়ন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১২-০৪-১১ ৯:৫০:৫৬ এএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দল ও সাদা দল প্যানেল ভিত্তিতে অংশ নিচ্ছে। এ নির্বাচন নিয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশনের কাছে বুধবার দুই সংগঠন আলাদা দুটি প্যানেলে  তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

জবি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দল ও সাদা দল প্যানেল ভিত্তিতে অংশ নিচ্ছে। এ নির্বাচন নিয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশনের কাছে বুধবার দুই সংগঠন আলাদা দুটি প্যানেলে  তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

১৮ এপ্রিল শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে নীল দলের একক প্যানেল নির্বাচনের উদ্দেশ্যে নীল দলের শিক্ষকদের মধ্য থেকে সভাপতি পদে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, সহ-সভাপতি পদে অধ্যাপক ড. এস এম আনোয়ারা বেগম, কোষাধ্যক্ষ পদে ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ড. মোহাম্মদ ফিরোজ এবং ১০ জন সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

নীল দলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. আলী নূর বাংলানিউজকে বলেন, ‘সিনিয়র শিক্ষকদের সহায়তায় অনেক দেন-দরবার করে অবশেষে আমরা ঐক্যবদ্ধ প্যানেলে নির্বাচন করতে যাচ্ছি।’

অন্যদিকে সাদা দলের প্যানেলে সভাপতি পদে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ মোশারফ হোসেন, সহসভাপতি পদে ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ, কোষাধ্যক্ষ পদে অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ আজম খান, সাধারণ সম্পাদক পদে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদদীন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহীনুজ্জামান এবং সদস্য হিসেবে ১০ জন শিক্ষক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ড. মোঃ রইছ উদদীন বাংলানিউজকে বলেন, ‘জুনিয়র শিক্ষকদের প্যানেলের আওতায় নিয়ে আসতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। কারণ, এতে তাদের পদোন্নতি বিলম্বিত হতে পারে এমন একটি আশঙ্কা থেকে তার প্রকাশ্যে আসতে চাননি।’

যাচাই-বাছাই করে ভোট দিলে তাদের প্যানেলের অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে আশানুরুপ ভোট পাবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. হাসনা হেনা বেগম দু’টি প্যানেলে মনোনয়নপত্র জমার কথা স্বীকার করে  বাংলানিউজকে বলেন, ‘আশা করি, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের সকল কাজ সম্পন্ন করা যাবে। প্রচারণাকালীন সময়েও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নেই।’

বাংলাদেশ সময় : ১৯৪৪ ঘন্টা, এপ্রিল ১১, ২০১২
এমএমএস
সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর 

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2012-04-11 09:50:56