ঢাকা, শুক্রবার, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ২৬ এপ্রিল ২০১৯
bangla news

চাঙা পুঁজিবাজারে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে দরপতন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৯-১৪ ৭:১১:১৯ এএম

ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকার পুঁজিবাজার ছিল চাঙা। তবে অপ্রত্যাশিতভাবেই পড়ে গেছে ব্যাংকিং খাতের প্রায় সব ক`টি শেয়ারের দাম। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৯টির শেয়ারের দামই কমেছে।

ঢাকা:ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকার পুঁজিবাজার ছিল চাঙা। তবে অপ্রত্যাশিতভাবেই পড়ে গেছে ব্যাংকিং খাতের প্রায় সব ক`টি শেয়ারের দাম। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৯টির শেয়ারের দামই কমেছে।

বাজারের এ ধরনের আচরণকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ডিএসই’র সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহম্মেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমাদের সবাইর প্রত্যাশা ছিল ঈদের পর নেটিং বন্ধ করা হলেও যেসব শেয়ারের পিই অনুপাত কম সেগুলোর দিকে বিনিয়োগবারীরা ঝুঁকবেন। অতিমূল্যায়িত শেয়ার থেকে বিনিযোগকারীরা বের হয়ে আসবেন। তবে আজ যেভাবে বাজারে ব্যাংকের শেয়ারের দরপতন হয়েছে এক কথায় তা অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিক আচরণ।’      

ব্যাংকিং খাতের মতো একই অবস্থা মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের ক্ষেত্রেও। এদিন লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দামও কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, এদিন বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট, আইটি, সিরামিকস, সেবা ও আবাসন এবং বিবিধ খাতের প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। অথচ এই খাতগুলোর প্রায় সব কোম্পানির শেয়ার মার্জিন লোনের আওতার বাইরে থাকায় নেটিং সুবিধা বন্ধ রয়েছে। বিপরীতে ব্যাংকের পিই অনুপাত ৪০ এর কম হওয়ায় এবং মিউচুয়াল ফান্ডের বেশির ভাগ ইউনিটের দাম এনএভি’র ( নেট অ্যাসেট ভ্যালু) ৫০ শতাংশের নিচে থাকায় নেটিং সুবিধা পাচ্ছে।

মঙ্গলবার লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৯টির, কমেছে ৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির শেয়ারের দাম। এদিন ডিএসইতে ৫ কোটি ২৪ লাখ ১০ হাজার ৪৪৬টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে যার বাজার মূল্য ১ হাজার ১৩১ কোটি ৫৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এটি গতকালের চেয়ে ১০৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা বেশি।

এছাড়া সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯ দশমিক ২৪ পয়েন্ট  বেড়ে ৬ হাজার ৮০৫ দশমিক ৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
 
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- আফতাব অটোমোবাইলস, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, বেক্সিমকো লি., বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, কনফিডেন্ট সিমেন্ট, ন্যাশনাল ব্যাংক লি., আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লি., বেক্সটেক্স ও ডেসকো লি.।

দাম বাড়ায় শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো-  ফাইন ফুডস্, অ্যাম্বি ফার্মা, ঢাকা ডায়িং, সিএমসি কামাল, ঢাকা গার্মেন্টস, এইচআর টেক্সটাইল, মিরাক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, দুলামিয়া কটন, কেয়া ডিটারজেন্ট ও আফতাব অটোমোবাইলস।

অন্যদিকে, দাম কমায় শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- জুট স্পিনার্স, কোহিনূর কেমিক্যাল, মুন্নু জুটেক্স, ৪র্থ আইসিবি, বিডি অটোকারস, ৬ষ্ঠ আইসিবি, ৭ম আইসিবি, ৩য় আইসিবি, সিটি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লি.।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14