[x]
[x]
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
bangla news

আকু’র মাধ্যমে লেনদেনের প্রস্তাবে আজও সাড়া নেই মিয়ানমারের

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৯-১৩ ৯:৪৬:৪৫ এএম

মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে দেশটির সঙ্গে ‘এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন’ (আকু)’র মাধ্যমে লেনদেনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ২০০৯ সালে দেওয়া এ প্রস্তাবে এখনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি মিয়ানমার।

ঢাকা: মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে দেশটির সঙ্গে ‘এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন’ (আকু)’র মাধ্যমে লেনদেনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ২০০৯ সালের মার্চে দেওয়া এ প্রস্তাবে এখনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি মিয়ানমার।

 আগামী ২২-২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ বাণিজ্য কমিশনের চতুর্থ বৈঠকে বিষয়টি আবারও উত্থাপন করা হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে ব্যাংকিং লেনদেন বড় সমস্যা। আমদানি-রপ্তানিতে ব্যাংকিং লেনদেনে পেমেন্টে ম্যাকানিজম আকু’র মাধ্যমে লেনদেনের বিকল্প নেই।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওই যৌথ বাণিজ্য কমিশনের বৈঠকের বিষয়বস্তু ও আলোচ্যসূচির বিষয়গুলো তদারকি ও সমন্বয় করছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যে বর্তমানে ব্যাংক ড্রাফট পদ্ধতির প্রচলন আছে। মংদু ও সিতুয়ে শহর কেন্দ্রিক এ লেনদেনে একবারের জন্য সর্বোচ্চ ২০ হাজার ইউএস ডলারের ড্রাফট লেনদেন করা যায়।

বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘বড় ধরনের আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে এ নিয়ম বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আকুর মাধ্যমে লেনদেনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন-এসক্যাপ) উদ্যোগে ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বয়ে ১৯৭৪ সালে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন গঠন করা হয়। পরে বাংলাদেশ, মিয়নমার, মালদ্বীপ ও ভূটান আকুর সদস্য হয়। আমদানি-রপ্তানির আন্তঃদেশীয় লেনদেনের দায় তিন মাস পর পর সমন্বয় করে সদস্য দেশগুলো।

আকুর মাধ্যমে লেনদেনের জন্য দেশগুলো পারস্পরিক চুক্তিও করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অন্য ৭টি দেশের সঙ্গে আকুর মাধ্যমে লেনদেন হলেও মিয়ানমারের সঙ্গে এ ব্যাপারে চুক্তি না হওয়ায় লেনদেন করা যায় না।

বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন আরো বলেন, ‘আকুর মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় বাণ্যিজ্যিক লেনদেন করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বেেএপ্রিলে একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমার সফর করে। তবে এ ব্যাপারে  মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে  এখনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।’

অবশ্য এবারের যৌথ বাণিজ্য কমিশনের বৈঠকে বিষয়টির সুরাহার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।

গোলাম হোসেন জানান, ওই বৈঠকে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আকুর মাধ্যমে লেনদের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db