bangla news

ফলন ভালো হলেও বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পাহাড়ের কৃষক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-৩১ ১০:৩৯:০০ এএম
গাছে ঝুলছে কাঁচা আম। ছবি: বাংলানিউজ

গাছে ঝুলছে কাঁচা আম। ছবি: বাংলানিউজ

খাগাড়ছড়ি: পাহাড়ে উৎপাদিত আম্রপালি আমের খ্যাতি দেশজুড়ে। এই আমের চাহিদা থাকায় সময়ের সঙ্গে বেড়েছে চাষাবাদ। গত বছরের তুলনায় এবার জেলায় আমের উৎপাদন বেশি হয়েছে। তবে করোনার কারণে আম বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে কৃষক।

কৃষকরা জানায়, সময়মত আম বাজারজাত করতে না পারলে লোকসানে পড়তে হবে।

জানা যায়, পাহাড়ের মাটি উর্বর হওয়ায় ফলন হয় আমের ফলন ভালো হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার আম যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে। পাহাড়ে মূলত আম্রপালি, রাঙ্গুইন, বারি-৪, ৮, ১১ জাতের আম চাষ হয়।

খাগড়াছড়ির বাগান মালিক এবং ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতির উপদেষ্টা অনিমেষ চাকমা রিংকু বাংলানিউজকে বলেন, আমের ফলন ভালো হলেও বাজারজাত নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। তার উপর করোনার কারণে বিগত বছরের মতো ভালে দাম পাওয়া নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। চাষিদের বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ বছর খাগড়াছড়িতে ৩ হাজার ২৪৪ হেক্টর জায়গাজুড়ে প্রায় ২৯ হাজার ১৯৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা ১৯৬ মেট্রিক টন বেশি।

খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মতুর্জ আলী বাংলানিউজকে বলেন, ইতোমধ্যে আমরা আলোচনা করেছি বাইরে থেকে যারা আম কিনতে খাগড়াছড়ি আসবে তারা যেন নির্বিঘ্নে আম কিনতে পারেন সেটি আমরা গুরুত্বসহকারে দেখব। এছাড়া করোনার কারণে যদি আম বিক্রি করতে না পারে সেক্ষেত্রে কৃষি প্রণোদনা দেয়ার বিষয়টিও আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা কৃষক ও আম চাষিদের বাঁচাতে সরকার বিশেষ বিবেচনায় পণ্য বাজারজাত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নেবে।

বাংলাদেশ সময়: ১০৩৮ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০২০
এডি/এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   আম খাগড়াছড়ি কৃষি
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-05-31 10:39:00