bangla news

ঈদ উপলক্ষে সেমাই কিনতে দোকানে ভিড়

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-২৩ ৮:৩৭:৩৩ পিএম
সেমাই কিনতে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি: বাংলানিউজ

সেমাই কিনতে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি: বাংলানিউজ

বগুড়া: ঈদুল ফিতরের দিনে লাচ্ছা সেমাই দিয়ে আপ্যায়ন স্বাভাবিক একটি বিষয়। এদিন খাবারের প্রথম পর্বটা বেশ ভালোভাবেই সামাল দেয় জনপ্রিয় ও সুস্বাদু এ পদটি। করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশের মতো বগুড়ায়ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রায় দেড় মাস বন্ধ থাকার পর গত ১০ মে দোকানপাট ও মার্কেটগুলো খুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই লাচ্ছা-সেমাইয়ের দোকানগুলোতে ভিড় দেখা যাচ্ছে। সঙ্গে বিক্রি বেড়েছে লাচ্ছা সেমাইয়ে বাড়তি স্বাদ এনে দেওয়া হরেকপদের মসলারও।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে বগুড়া শহরের রাজাবাজার, কাঁঠালতলা, কবি নজরুল ইসলাম সড়কসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে এ তথ্য উঠে আসে।

জানা যায়, ঈদের আগেরদিন পর্যন্ত এসব দোকানগুলোতে চলবে বিকিকিনি, লেগে থাকবে ভিড়।

প্রতি বছর ব্যবসায়ীরা এ সময়ের অপেক্ষায় থাকেন। আবার সুযোগ পেলেই পণ্যের দাম বাড়িয়েও দেন। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। শেষ মুহূর্তে লাচ্ছা-সেমাই ও সংশ্লিষ্ট সবকিছুর দাম কমবেশি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এ বছর তাদের ব্যবসায় সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। এ বছর করোনা পরিস্থিতির প্রভাবে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়েছে। দাম কিন্তু বরাবরের মতই রয়েছে। এর পরেও ক্রেতা সাধারণের কথা শুনতে হয়।

আফজাল মন্ডল, আলম শেখ, সজিবসহ একাধিক ব্যবসায়ী বাংলানিউজকে জানান, বগুড়ার তৈরি চিকন সাদা সেমাইয়ের খ্যাতি দেশজুড়ে। ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসায়ী সুস্বাদু এ সেমাইকে প্রাধান্য দেন। এছাড়া নানা ধরনের প্যাকেটজাত ও খোলা সেমাই রয়েছে স্থানীয় বাজারগুলোতে। এর বাহিরে রয়েছে বগুড়ার আকবরিয়া গ্রান্ড, কোয়ালিটি, শ্যামলীর, সাউদিয়া, বৈকালী, শম্বা, এশিয়ার তৈরি ছাড়াও রয়েছে বনফুল, ড্যানিশ, ডায়মন্ড, মধুবন, কুলসুম, ফুয়াং, প্রাণ, অলিম্পিয়াসহ নানা ব্রান্ডের লাচ্ছা সেমাই। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ভয় থাকা সত্ত্বেও লাচ্ছা সেমাই, দুধ, চিনি ও নানা ধরনের মসলা কিনতে দোকানে দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। লাচ্ছা-সেমাই রান্নায় সাদা এলাচ, কালো এলাচ, কিশমিশ, কাঁচা বাদাম, দারুচিনি, তেজপাতা জাতীয় মসলা ব্যবহার করা হয়।

...

সাব্বির আহাম্মেদ, শরীফ প্রাং, এহসানুল হক, জাহিদ কামালসহ একাধিক ক্রেতা বাংলানিউজকে জানান, প্রত্যেক ঈদে অতিথি আপ্যায়নে লাচ্ছা-সেমাইয়ের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে মানুষ অবাধে চলাফেরার মধ্যদিয়ে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ করতে কেনাকাটা করেছেন। কিন্তু এ বছর মানুষকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। তারা নিজেরাও ভীতির মধ্যে রয়েছেন। এর পরেও যতটা সম্ভব সমাগম এরিয়ে তারা কেনাটাকায় শহরে এসেছেন।

বগুড়ায় বাজারগুলোতে ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা সেমাই বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০-৮০০ টাকা, ডালডায় ভাজা প্রতি কেজি ১৮০-২০০ টাকা, চিকন সেমাই প্রতি কেজি ৯০-১০০ টাকা দরে।

বাংলাদেশ সময়: ২০৩৭ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০২০
এইচএডি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   করোনা ভাইরাস
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-05-23 20:37:33