bangla news

রাজধানীতে ৪ দিনব্যাপী হেরিটেজ হ্যান্ডলুম ফেস্টিভ্যাল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১০-২৩ ১০:৪৬:৫৯ পিএম
হেরিটেজ হ্যান্ডলুম ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান

হেরিটেজ হ্যান্ডলুম ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান

ঢাকা: রাজধানীতে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী হেরিটেজ হ্যান্ডলুম ফেস্টিভ্যাল (তাঁতপণ্য প্রদর্শনী)। দেশে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত ফেস্টিভ্যাল চলবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে গ্র্যান্ড গার্ডেনিয়া হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হেরিটেজ হ্যান্ডলুম ফেস্টিভ্যালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এসএমই ফাউন্ডেশন ও অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্যাশন ডিজাইনার্স অব বাংলাদেশ (এএফডিবি) যৌথভাবে এই ফেস্টিভ্যালের আয়োজক। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতে (এসএমই) অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, টাকা নিয়ে ফেরত না দেওয়া এই ধরনের বদনাম এসএমইখাতের নেই। যদি খেলাপি ঋণের অবস্থা ভালো থাকে তাহলে আরও বেশি পরিমাণে টাকা অর্থাৎ ১০০ বা ২০০ কোটি টাকা দেওয়া বাংলাদেশের জন্য এখন কোনো সমস্যা নয়। স্টার্ট আপ বা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এবার আমরা ১০০ কোটি বরাদ্দ রেখেছি, জানি না কতটুকু ব্যবহার হবে, এসএমইএর জন্য আরও ১০০ বা ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার জন্য জোরালো মতামত ব্যক্ত করছি।

তরুণ ও নবীন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তাঁতপণ্য নিয়ে বর্তমানে যে সুযোগ আছে তা ধরে রাখতে হবে। এজন্য পরিশ্রম করতে হবে। সরকারের জন্য অপেক্ষা না করে বিভাগীয় শহরগুলোতে মিউজিয়াম করার চেষ্টা করুন। সরকার দেখবেন তখন সহযোগিতা করছে। 

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এটি আমাদের আদিশিল্প। মধ্যযুগেও আমরা এ বিষয়ে পারদর্শী ছিলাম। বয়ন শিল্পে যাতে আমাদের অস্তিত্ব ও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে পারি, সেটি আমাদের একান্ত কাম্য।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, তাঁতপণ্য নিয়ে আমাদের কর্মকাণ্ড বিদেশেও ছড়িয়ে দিতে হবে। 

অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন কে এম হাবিব উল্লাহর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম। এছাড়াও আরও এএফডিবি’র সভাপতি মানতাশা আহমেদ। 

এবারের আয়োজনে হেরিটেজ হ্যান্ডলুম ফেস্টিভ্যাল-২০১৯ এ মোট ৪৫টি স্টলে ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের তাঁত ও কারুপণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। নকশিকাঁথা, বেনারসি শাড়ি, টাঙ্গাইল শাড়ি, জামদানি শাড়ি, সিরাজগঞ্জ শাড়ি-লুঙ্গি-গামছা, মণিপুরী কাপড়, রাঙামাটির চাকমাসহ অন্যান্যদের কাপড়, খাদি, রাজশাহী সিল্ক, পাটজাত পণ্য, শতরঞ্জি পণ্য, বাঁশ-বেত পণ্য, পটচিত্র প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। 

তাঁতীদের উৎপাদিত পণ্যের পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় চিত্রশিল্পী ও ডিজাইনারদের তৈরি দৈনন্দিন ব্যবহার্য পণ্য ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শন করা হবে। প্রদর্শনীর পাশাপাশি এসব পণ্যের বুনন প্রক্রিয়াও দর্শনার্থীরা উপভোগ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ সময়: ২২৪৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৩,২০১৯
এসএইচএস/জেডএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-10-23 22:46:59