ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

ব্যাংকনোটের ওপর লেখালেখিতে নিষেধাজ্ঞা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-০৯ ৮:০৯:১০ পিএম
লেখালেখিতে নষ্ট হয়েছে একশ টাকার নোট

লেখালেখিতে নষ্ট হয়েছে একশ টাকার নোট

ঢাকা: স্থায়ীত্ব ধরে রাখতে ব্যাংকনোটের ওপর সব ধরনের লেখালেখিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ও পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট প্যাকেট করার সময় ব্যাংকের মুদ্রিত ফ্লাইলিফে ব্যাংকের শাখার নাম, সিল, নোট গনণাকারীর ও প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর ও তারিখ আবশ্যিকভাবে দিতে হবে।

সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে এবিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশি টাকার ব্যবহার সময়কাল বৃদ্ধির লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক নতুন ও পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট গ্রহণ, টাকা প্রদান এবং গনণাকরত: সর্টিং ও প্যাকেটিং করার সময় টাকার উপর কোনো প্রকার সংখ্যা লিখন, অনুস্বাক্ষর প্রদান, সিল প্রদান কিংবা অন্য কোনো ধরনের লেখালেখি করা যাবে না। নতুন ও পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট প্যাকেট করার সময় ব্যাংকের মুদ্রিত ফ্লাইলিফে ব্যাংকের শাখার নাম, সিল, নোট গনণাকারীর ও প্রতিনিধিগণের স্বাক্ষর ও তারিখ আবশ্যিকভাবে দিতে হবে’।

তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট ছাড়া অন্য কোনো মূল্যমানের নতুন ও পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোটের প্যাকেট স্ট্যাপলিং করা যাবে না। মূল্যমান নির্বিশেষে (১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট ছাড়া) সব নতুন ও পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট প্যাকেট ২৫ মি.মি. থেকে ৩০ মি.মি. প্রশস্ত পলিমার টেপ অথবা পলিমারযুক্ত টেপ পুরু কাগজের টেপ দিয়ে ব্যান্ডিং করতে হবে।

তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের নোটের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্বের অন্যান্য দেশে ব্যাংকনোট ব্যান্ডিংয়ে ব্যবহৃত আরও উন্নত প্রযুক্তির অনুসরণ করতে পারে। তবে তা যেন বর্ণিত ব্যান্ডিংয়ের চেয়ে বেশি কার্যকর হয়।

বাংলাদেশি ব্যাংকনোটগুলোর উপর সংখ্যা লিখন, সিল স্বাক্ষর দেওয়া ও বারবার স্ট্যাপলিং করার কারণে নোটগুলো অপেক্ষাকৃত কম সময়ে অপ্রচলনযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, টাকার উপর লাল, নিল, কালো বিভিন্ন কালিতে সংখ্যা লেখার আধিক্য বেড়েছে এবং এগুলো ব্যাংকারাই লিখে থাকেন। এছাড়াও সব মূল্যমানের পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট প্যাকেটে সিল দেওয়ার বিষয়টি প্র্যাকটিসে পরিণত হয়েছে। এতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নোটের স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে।  

বাংলাদেশ সময়: ২০০৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৯
এসই/জেডএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-09-09 20:09:10