ঢাকা, শনিবার, ৪ আশ্বিন ১৪২৭, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০ সফর ১৪৪২

ব্যাংকিং

অফশোর ব্যাংকিং নীতিমালা জারি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০২৪৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৯
অফশোর ব্যাংকিং নীতিমালা জারি

ঢাকা: কার্যক্রম শুরুর ৩৪ বছর পর প্রথমবারের মতো অফশোর ব্যাংকিং নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশে অফশোর ব্যাংকিং চালু হয় ১৯৮৫ সালে। কিন্তু কোনো নীতিমালা ছাড়াই চলছিল এতোদিন।

নীতমালায় অফশোর ব্যাংকিং পরিচালনায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নীতিমালাটি পরিপালনের জন্য সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

 

নীতিমালায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে যেকোনো ব্যাংক অফশোর ব্যাংকিং চালু করতে পারবে। আর যেসব ব্যাংকের এই ইউনিট রয়েছে তাদেরকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

আরো বলা হয়, যেকোনো সময় অনুমোদন বাতিল করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর শরীয়াহভিত্তিতে অফশোর ব্যাংকিং করা যাবে। ইপিজেড, হাইটেক পার্ক, অর্থনৈতিক অঞ্চল, প্রাইভেট ইপিজেডে শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি, দেশি-বিদেশি যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি, প্রবাসীসহ আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত ব্যক্তিরা অফশোর ব্যাংকিং আমানত রাখা ও ঋণ নিতে পারবেন।

অফশোর ব্যাংকিং হলো- দেশে কার্যরত ব্যাংকের পৃথক ইউনিট। শুধুমাত্র দেশের বাইরে থেকে তহবিল সংগ্রহ করে রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠানকে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেওয়ার জন্য ১৯৮৫ সালে এক আদেশে এ ইউনিট গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। গত বছরের জুন পর্যন্ত অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। নীতিমালা না থাকায় ব্যাংকগুলো যেনতেনভাবে অফশোর পরিচালনা করেছে। এর মাধ্যমে অর্থপাচার করেছে কয়েকটি ব্যাংক।  
  
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৯
এসই/জেডএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa