ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ আশ্বিন ১৪২৭, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩ সফর ১৪৪২

অর্থনীতি-ব্যবসা

গ্রামীণফোন প্রস্তুত, অনুমোদন পেলেই থ্রি-জি: টেলিনর প্রেসিডেন্ট

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮০৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৩, ২০১০
গ্রামীণফোন প্রস্তুত, অনুমোদন পেলেই থ্রি-জি: টেলিনর প্রেসিডেন্ট

ঢাকা: সরকারি অনুমোদন পাওয়ামাত্র গ্রামীণফোন তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সেবা (থ্রি-জি) চালু করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সত্ত্বাধিকারী টেলিনরের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন ফ্রেডরিক বাকসাস।

তিনি বলেছেন, ‘থ্রি-জি’ চালুর সব সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।

এজন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তত। এখন সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছি। সরকার অনুমোদন দেওয়া মাত্রই আমরা থ্রি-জি চালু করবো। ’   

মঙ্গলবার রেডিসন হোটেলে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’-এ ফ্রেডরিক বাকসাস সাংবাদিকদের একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে বাংলাদেশে আমরা দুই দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছি। থ্রি-জি চালুর অনুমোদন পেলে এই খাতে তারা আরও বড় ধরনের বিনিয়োগ করা হবে। ’

থ্রি-জি চালু করা প্রসঙ্গে টেলিনর প্রেসিডেন্ট জানান, গ্রাহকদের সেবা দেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য। আর এই সেবা দিতে গিয়েই তারা সব সময় সামনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কোনো সন্দেহ নেই যে দ্বিতীয় প্রজন্মের চেয়ে তৃতীয় প্রজন্মের সেবা গ্রাহকদের সব ধরনের প্রয়োজন মেটাবে। আর এটা করতেই তারা এখন থ্রি-জি চালুর জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন।

ফোর-জি বা চতুর্থ প্রজন্মের সেবা চালুর করার কোনো চিন্তা গ্রামীণফোনের রয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নরওয়েসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টেলিনর কয়েক সপ্তাহ আগে ফোর-জি চালু করলো। বাংলাদেশেও ফোর-জি চালুর পরিকল্পনা তাদের রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে তারা এগোতে চান। এদেশে মোবাইল ফোনের বাজার বৃদ্ধির ওপর এটি নির্ভর করবে। ’

‘থ্রি-জি ও ফোর-জি এর মধ্যে বড় ধরনের কোনো পার্থক্য নেই। বাংলাদেশে যদি এখনই ফোর-জি চালু করতে যাই তা হবে বাস্তবসম্মত হবে না’, বলেন তিনি।

বাংলাদেশের টেলিকম খাতের ভবিষ্যত সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ফ্রেডরিক বলেন, ‘এখানে টেলিকম খাত সম্প্রসারণের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ টেলিকম খাত সম্প্রসারণের একটি বড় উদাহরণ হতে পারে। ’

টেলিকম খাতের উন্নয়নে তিনি একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একটি বিশ্বস্ত, স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকলে টেলিকম খাতের অপার সম্ভাবনা খুলে যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে টেলিনর প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘গ্রামীণফোনের লোগো বা নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ গ্রামীণফোন নামেই এদেশে কোম্পানিটি পরিচিত। ’

গ্রামীণফোনের সিইও অডভার হেশজেডাল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

২২ নভেম্বর তিন দিনের সফরে ফ্রেডরিক বাংলাদেশে এসেছেন।

সফরকালে তিনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া তিনি নগরীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নবনির্মিত সদরদপ্তর জিপি হাউজের উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৪ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৩, ২০১০

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa