bangla news

দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় সরকার বদ্ধ পরিকর : বাণিজ্যমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১১-০৬ ৮:২৮:৩৯ এএম

বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেছেন, ‘দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা ও বিকাশে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। তবে এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদেরও সরকারকে সহযোগিতা করতে করতে হবে।’

ঢাকা: বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেছেন, ‘দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা ও বিকাশে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। তবে এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদেরও সরকারকে সহযোগিতা করতে করতে হবে।’

একই সঙ্গে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা ও ভোক্তা অধিকারের বিষয়ে সচেতন থাকার জন্যও ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেন তিনি।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যদি তাদের কর সংক্রান্ত সুপারিশগুলো প্রতিফলন জাতীয় বাজেটে দেখতে চান তাহলে তাদের প্রস্তাবগুলো নিয়ে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই রাজস্ব বোর্ড ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। কারণ ফেব্রুয়ারি থেকেই বাজেট প্রণয়নের কাজ শুরু হয়ে যায়। এর আগেই ব্যবসায়ীদের তাদের প্রস্তাবগুলোর যৌক্তিকতা সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে।’

‘দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণে ট্যারিফ কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন নব নিযুক্ত ট্যারিফ কমিশন চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান। বিসিআই সভাপতি সাহিদুল ইসলাম হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ, প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় ট্যারিফ কমিশনকে যথাযথ ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নতুবা কমিশনের ভূমিকা সমালোচিত হতে পারে।’

একই সঙ্গে কমিশন যাতে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সেজন্য তিনি এর নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন’ রাখার প্রস্তাব করেন।

ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান কমিশনের দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বর্তমানে কমিশন শুধু কোনো বিষয়ে সুপারিশ করতে পারে কিন্তু সেটা গ্রহণ করার ক্ষমতা একক ভাবে রাজস্ব বোর্ডের। ট্যারিফ কমিশনকে কার্যকর করতে হলে এর ক্ষমতা বাড়াতে হবে।’
 
এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, ‘আমাদের সমস্যার মূল কারণ দুর্নীতি। ব্যবসায়ীরা কর দিতে চান। কিন্তু রাজস্ব বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা তা চান না।’

তিনি আরও বলেন, গত বছর ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কর খাতে মোট ৬২ হাজার কোটি টাকা কর দিয়েছে। এবার তাদের করের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র তিন মাসেই ব্যবসায়ীরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ২৫ শতাংশ বেশি কর দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় : ১৮১৫ ঘণ্টা, ০৬ নভেম্বর , ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2010-11-06 08:28:39