ঢাকা, সোমবার, ২ বৈশাখ ১৪৩১, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

মোমবাতি কারখানায় দীপাবলির ব্যস্ততা তুঙ্গে

সুদীপ চন্দ্র নাথ, আগরতলা করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০০২৩ ঘণ্টা, অক্টোবর ২১, ২০১৬
মোমবাতি কারখানায় দীপাবলির ব্যস্ততা তুঙ্গে ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আগরতলা: আগামী ২৯ অক্টোবর আলোর উৎসব দীপাবলি। জগতের সকল অন্ধকার দূর করে আলোয় উদ্ভাসিত হতে ওই দিন ঘর-বাড়িসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মোমবাতি ও প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তুলবেন সনাতন ধর্মালম্বীরা।

 

আগরতলার বিভিন্ন এলাকার মোমবাতির কারখানাগুলোতে এখন চরম ব্যস্ততা। কারখানাগুলোতে ছোট সাইজ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি ওজনের মোমবাতি তৈরি হয়।

শহরের উত্তরাঞ্চলের এক মোমবাতি কারখানায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে নানা রং ও নানা আকারের মোমবাতি।
 
কয়েকজন নারী শ্রমিক তৈরি হওয়া মোমবাতিগুলোর সুতা কেটে একটি থেকে অন্যটিকে আলাদা করছেন। কেউ কেউ মোমগুলোকে গুনে গুনে প্যাকেটে ভরে ও লেবেল লাগিয়ে বাজারে ছাড়ার জন্য প্রস্তুত করছেন। এসব কাজে হাত লাগিয়েছেন কারখানার মালিক অমল দেব নিজে এবং তার পরিবারের সদস্যরাও।

হাতের কাজ করতে করতে এক নারী শ্রমিক বাংলানিউজকে বলেন, দীপাবলির আগে মোমবাতির চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এ সময় কাজের চাপ বাড়ে। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময় তিনগুন বেশি কাজ হয়।

মালিক অমল দেব বাংলানিউজকে জানান, স্বল্প পুঁজিতে মোমবাতি কারখানা তৈরি করা সম্ভব। সরকারও কারখানা গড়ার জন্য ঋণ দিচ্ছে। তবে ত্রিপুরা রাজ্যে মোমবাতি তৈরির যন্ত্রপাতিসহ মোমবাতির প্রধান কাঁচামাল প্যারাফিন পেতে খুব সমস্যা হয়। এ সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারলে রাজ্যে মোমবাতির কারখানা তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে রাজধানীর অন্যান্য মোমবাতির কারখানাগুলোতেও। দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।
 
বাংলাদেশ সময়: ০০১৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ২১, ২০১৬
এসসিএন/ আরআইএস/এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।