ঢাকা, রবিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৬ মে ২০২৪, ১৭ জিলকদ ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

নয়াদিল্লি থেকে, খুররম জামান

দিল্লির ফুটপাতেও মোটর সাইকেল!

খুররম জামান, ডিপ্লোম্যাটিক অ্যাফেয়ার্স এডিটর | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৪৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৪
দিল্লির ফুটপাতেও মোটর সাইকেল! ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লি থেকে: যানজট ঢাকাবাসীর জন্য নিত্য নৈমিত্যিক ব্যাপার। প্রতিদিনই কোনো কাজে বের হতে হলে সবাইকে যানজটের কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত সময় নিয়েই বের হতে হয়।

তাই বলে কী উদীয়মান পরাশক্তি ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও।  

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় যানজটে আটকে থেকে অনেক মোটর সাইকেল ও সাইকেল আরোহীরা ফুটপাত ধরেই এগুতে থাকেন। একই দৃশ্য চোখে পড়লো নয়াদিল্লিতেও।  

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশটির রাজধানী দিল্লির পথঘাটে অসহনীয় যানজট সৃষ্টি হয়। এতে পথচারীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

তবে ব্যতিক্রম দেখা গেল সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন মোটর সাইকেল আরোহীকে। কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সড়কের ফুটপাত ধরে নিজেদের মতো এগিয়ে চলছেন তারা। এতে সাধারণ পথচারীদের বেশ ঝক্কি-ঝামেলায় পোহাতে হলেও কোনো মাথা ব্যাথা নেই তাদের।   
এরমধ্যে অনেক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকেও নির্দিধায় মোটর সাইকেল চালিয়ে যেতে দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মেট্রো রেলসহ নানা সুযোগ-সুবিধা থাকলেও নয়াদিল্লির সড়কে প্র্রায় নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে যানজট। সম্প্রতি চানক্য পল্লী, সংসদ ভবন এলাকাসহ আশপাশের সড়কগুলোতে যানজট অসহনীয় পর্যায়ে রূপ নিয়েছে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ভারত সফরে আছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এজন্য নয়াদিল্লির বিভিন্ন ডাইভার্শন করা হয়েছে। এজন্য ওই সড়কগুলোতে গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। এতে নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে ।

এদিকে দিল্লির উপশহর গুরগাঁওয়েও ছিল নজিরবিহীন যানজট। মাইলের পর মাইল গাড়ির অপেক্ষমান সারি দেখা গেছে।

সম্পতি গুরগাঁও-দিল্লি সংযোগ সড়কে যানজট কমাতে টোল আদায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এরপরও ২৭ কিলোমিটার এই রাজপথে ছিল দীর্ঘ গাড়ির সারি।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা জানা যায়, দেশটির ট্রাফিক আইনে লালবাতি অমান্য করা, মোবাইল ফোন হাতে ড্রাইভিং বা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য জরিমানা ও কড়া  শাস্তির বিধান রাখলেও এলোমেলোভাবে যানচলাচল বন্ধ করতে পারছে না সরকার। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ভোগান্তি তো আছেই।  

সম্প্রতি দেশটির সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি বলেন, ভারতের ট্রাফিক আইন মান্ধাতার আমলের। এজন্য শত চেষ্টা করেও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

ট্রাফিক ব্যবস্থাকে একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রের আইন ঘেঁটে ভারতের জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের নীতিমালা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

** দিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
** তিস্তা চুক্তিতে জোর দেবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৮ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।