ঢাকা, শনিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৮ মে ২০২৪, ০৯ জিলকদ ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

১০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ‘শিক্ষা রতন’ দিলেন মমতা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৫০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৪
১০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ‘শিক্ষা রতন’ দিলেন মমতা

কলকাতা: ‍ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের জন্মদিন উপলক্ষে শিক্ষক দিবসে ১০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার হাতে ‘শিক্ষা রতন’ পুরস্কার তুলে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুক্রবার কলকাতার নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।



অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা শিক্ষক সমাজকে অভিনন্দন জানান।

এ সময় তিনি বলেন, কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ক্ষেত্র মানেই অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা। কিন্তু এটা ঠিক নয়।

যদিও সম্প্রতি বিশ্বভারতীর মত প্রতিষ্ঠানে পরপর দু’টি শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে।

‌এছাড়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির ঘটনাসহ পশ্চিমবঙ্গের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষকে প্রহার করা, তৃণমূল কংগ্রেস নেতার শিক্ষিকাকে পানির পাত্র চালিয়ে মারার মত ঘটনা তৃণমূল সরকারের শাসন কালে শিক্ষা ক্ষেত্রের সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতার কথাই তুলে ধরে বলে মনে করে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলগুলো।

এছাড়াও প্রেসিডেন্সি কলেজের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাসক দলের ছাত্রদের ভাঙচুরের মত গুরুতর অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে বারবার সমস্যায় ফেলেছে।



যদিও মুখ্যমন্ত্রী বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই ধরনের ঘটনাকে খুব একটা বড় করে দেখার পক্ষে নন।

মমতা বলেন, এ ধরনের ‘তুচ্ছ’ ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রচারকে বাড়াবাড়ি হিসেবেই বলা যায়।

যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসন কালেই কলকাতার মেটিয়াবরুজ এলাকার হরিমোহন ঘোষ কলেজে ভোট নিয়ে গোলমালের সময় দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারান এক কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য।

বিরোধীরা বারবার এ নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করলেও শিক্ষক দিবসে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ক্ষেত্রকে শান্তিপূর্ণ বলেই দাবি করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

এ সময় নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের ৪২টি বিদ্যালয়কেও তাদের সাফল্যের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।